শিকারি প্রাণীর হাত থেকে গবাদিপশু রক্ষার ব্যবস্থায় সহায়তা দিতে মন্টানার লাইভস্টক লস বোর্ড (Livestock Loss Board) ২০২৭ সালের অনুদান চক্রে প্রায় ৪ লাখ ডলার দিচ্ছে। বেড়া, মৃত পশু কম্পোস্ট করা, পাহারাদার কুকুর ও রেঞ্জ রাইডার কর্মসূচির মতো ব্যবস্থায় এ অর্থ মিলবে বলে মন্টানা প্রাণিসম্পদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তির বরাতে জানিয়েছে নর্দার্ন এজি নেটওয়ার্ক। আবেদনের শেষ দিন ৪ নভেম্বর, অনুদানের সিদ্ধান্ত হবে ৯ ডিসেম্বর।
বোর্ড জানিয়েছে, আবেদনপ্রক্রিয়া সম্প্রতি সহজ করা হয়েছে এবং প্রতিবেদন জমার শর্তও সরল হয়েছে। নেকড়ে, গ্রিজলি ভালুক, কালো ভালুক ও পাহাড়ি সিংহের হাতে নিশ্চিত ও সম্ভাব্য ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দেয় বোর্ড, পাশাপাশি এসব প্রাণীকে পশু শিকার থেকে বিরত রাখার প্রকল্পে অর্থ দেয়। ২০২৫ সালে এসব শিকারির হাতে যাচাই করা ক্ষতি ছিল ২২৫টি; ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত ১৫২টি, যার মধ্যে আছে গরু, ভেড়া, ছাগল, শূকর, পাহারাদার কুকুর ও ঘোড়া।
খামারিরা জানাচ্ছেন এসব ব্যবস্থায় কী বদলেছে। ব্ল্যাকফুট নদী উপত্যকার পোটোম্যাকের কাছে পারিবারিক খামার চালানো ডেনি আইভারসন (Denny Iverson) বলেন, গ্রিজলি ভালুক দেখা দিতে শুরু করলে তাঁরা বাছুর জন্মানোর ঘেরের চারপাশে বৈদ্যুতিক বেড়া দেন; পরে নেকড়ে এলে স্থানীয় খামারিরা মিলে মৃত পশু সরানোর সেবা ও রেঞ্জ রাইডার চালু করেন। তাঁর মতে, শিকারির প্রভাব কমাতে হাতে কিছু উপায় থাকা খুব কাজের।
মন্টুর ক্রিকের কাছে খামার চালানো ওয়েন স্ল্যাট (Wayne Slaght) বলেন, বোর্ডের অর্থে রেঞ্জ রাইডিং, মৃত পশু তুলে নেওয়া, বৈদ্যুতিক বেড়া ও ফ্ল্যাড্রি (দড়িতে ঝোলানো রঙিন কাপড়ের নিশান) সত্যিই পার্থক্য গড়েছে। তাঁর খামারে ১০টি গ্রিজলি ভালুক থাকলেও ২৫ বছরে একবারও গ্রিজলির হাতে পশু মারা যায়নি।
বোর্ডের চেয়ারম্যান জন স্যাম্পসেল (John Sampsel) বলেন, পরিশ্রমী খামারিদের জন্য উল্লেখযোগ্য অর্থ রয়েছে এবং শিকারি ঠেকানোর অনেক পরীক্ষিত পদ্ধতি আছে। আবেদন করা যাবে www.llb.mt.gov ঠিকানায়; ডিসেম্বরের সভার তারিখ আবেদনকারীদের জানানো হবে এবং তাঁদের উপস্থিত থাকতে উৎসাহিত করা হয়েছে।
ছবি: Jeff Walker / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: নর্দার্ন এজি নেটওয়ার্ক





মন্তব্য
(০)