অণুশৈবাল থেকে প্রোটিন তৈরি করা ফুডটেক স্টার্টআপ নিউট্রিশন ফ্রম ওয়াটার (Nutrition From Water, এনএক্সডব্লিউ) পর্তুগালের আজোরেস-ভিত্তিক উপকরণ প্রতিষ্ঠান প্রোলাক্তোর (Prolacto) সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। তারা আইবেরিয়ার বাজার ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের জন্য মিশ্র দুগ্ধ উপকরণ তৈরি করবে, জানিয়েছে গ্রিন কুইন।
সমস্যাটি হুই নিয়ে। ২০২৫ সালে হুইয়ের দাম রেকর্ড ভেঙেছে, এরপরও বাড়ছে। গত দুই বছরে হুই প্রোটিন কনসেনট্রেটের দাম ১০৮ শতাংশ বেড়েছে, আর হুই প্রোটিন আইসোলেটের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
২০২০ সালে অ্যালেক্স ওয়ার্কার, হার্নিশ হাওয়ার্ড ও টোবি লেনের গড়া এনএক্সডব্লিউ কয়েকটি জাতের অণুশৈবাল গাঁজন পদ্ধতিতে বাড়িয়ে প্রক্রিয়াজাত করে মেরিন হুই নামের আঁশসমৃদ্ধ উপকরণ বানায়। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এর দাম প্রচলিত হুইয়ের এক-তৃতীয়াংশ। এমডব্লিউ৫০-এ প্রোটিন ৫০ শতাংশ, এমডব্লিউ৭০ প্লাসে ৭০ শতাংশ, আর বেকারির জন্য আঁশসমৃদ্ধ এমডব্লিউজিতে ৩৫ শতাংশ।
প্রোলাক্তো ১৯৬৮ সাল থেকে এমন এক অঞ্চলে কাজ করছে, যেখানে পর্তুগালের মোট দুধের ৩০ শতাংশ উৎপাদিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি খাদ্য ও পানীয় প্রস্তুতকারকদের দুগ্ধ ও অদুগ্ধ উপকরণ সরবরাহ করে।
এনএক্সডব্লিউর প্রধান নির্বাহী ফেদেরিকো দুয়ার্তে (Federico Duarte) বলেন, তাঁদের উপকরণ দুধের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, পরিপূরক। প্রোলাক্তোর প্রধান নির্বাহী অস্কার ক্রিয়াদো দেল রে (Oscar Criado del Ray) বলেন, আইবেরিয়া ও নির্বাচিত আন্তর্জাতিক বাজারে এই পণ্য কীভাবে পৌঁছানো যায়, তা তাঁরা খতিয়ে দেখবেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুধের একটি অংশ বদলে দিলে সম্পৃক্ত চর্বি কমে, আঁশ বাড়ে, পরিবেশের ওপর চাপও কমে। প্রতিষ্ঠান দুটি যৌথ উন্নয়ন ও বাণিজ্যিকীকরণের পথ খতিয়ে দেখছে।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন গ্রিন কুইনের অনয় মৃদুল (Anay Mridul)।
ছবি: CSIRO / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: Green Queen





মন্তব্য
(০)