ভারতের মেঘালয়ের উমিয়ামে অবস্থিত আইসিএআর রিসার্চ কমপ্লেক্স ফর নর্থ ইস্টার্ন হিল রিজিয়নের (আইসিএআর-আরসি এনইএইচ) গবেষকেরা জিভ-কলম (টাং গ্রাফটিং) পদ্ধতি মানসম্মত করে সোহিয়ং গাছে ফল আসার সময় রোপণের পর ৭-৯ বছর থেকে কমিয়ে ৩-৪ বছরে এনেছেন। জানিয়েছে ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ (আইসিএআর)।
সোহিয়ং (Prunus napaulensis) মেঘালয়ের খাসি ও জয়ন্তিয়া পাহাড়ে প্রথাগতভাবে চাষ হওয়া দেশীয় ফল, স্বতন্ত্র স্বাদ আর গাঢ় বেগুনি রঙের জন্য পরিচিত। আইসিএআর জানায়, প্রথম ফলের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা, মানসম্মত চারার অভাব আর দুর্বল বাজার সংযোগ এর বাণিজ্যিক চাষ আটকে রেখেছিল।
কলম ছাড়াও গবেষণায় সম্ভাবনাময় জিনরূপ চিহ্নিত হয়েছে, উৎপাদন প্রযুক্তি উন্নত হয়েছে, আর এমন মোড়ক তৈরি হয়েছে, যাতে ফল নয় দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। পানীয়, ক্যান্ডি, গুঁড়া, ওয়াইন ও ফলের পাতলা চাকতি (ফ্রুট লেদার) তৈরির প্রক্রিয়াও মানসম্মত করা হয়েছে।
আইসিএআরের মতে, চারা উৎপাদন, চাষ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনে নারী, গ্রামের তরুণ, স্বনির্ভর দল ও কৃষক উৎপাদক সংগঠনের জন্য এ ফল বিশেষ সম্ভাবনা তৈরি করছে। আরও গবেষণা, কৃষকের অংশগ্রহণ আর জোরালো বাজার সংযোগ পেলে সোহিয়ং মেঘালয়ের একটি লাভজনক ফল ফসল হয়ে উঠতে পারে। তথ্যটি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির সিস্টেম রিসার্চ অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।
প্রায় এক দশকের বদলে তিন-চার বছরে ফল দেওয়া কলমের গাছ পাহাড়ি কৃষকের হিসাব বদলে দেয়, কারণ বাগান থেকে আয়ের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়।
ছবি: Shwabb1 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: আইসিএআর





মন্তব্য
(০)