সাধারণ ঝুঁকির নারীদের ৪০ থেকে ৭৪ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি দুই বছরে একবার স্ক্রিনিং ম্যামোগ্রাম করানোর পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. আরমান রেজা চৌধুরী। প্রথম আলোয় প্রকাশিত লেখায় তিনি বলেছেন, স্তন ক্যানসার নারীদের অন্যতম ক্যানসার, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে চিকিৎসার সুযোগ ও সেরে ওঠার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
সমস্যা হলো, শুরুতে অনেক সময় ব্যথা, চাকা বা স্পষ্ট কোনো উপসর্গ থাকে না। তাই বয়স ও ঝুঁকি অনুযায়ী নিয়মিত স্ক্রিনিং জরুরি। ম্যামোগ্রামের উদ্দেশ্য উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেই স্তনের সন্দেহজনক পরিবর্তন বা ক্যানসার শনাক্ত করা।
সবার ঝুঁকি অবশ্য এক নয়। বিআরসিএ-১ বা বিআরসিএ-২ জিনের মিউটেশন, খুব শক্তিশালী পারিবারিক ইতিহাস কিংবা অল্প বয়সে শরীরের ঊর্ধ্বাংশে রেডিয়েশন নেওয়ার ইতিহাস থাকলে আরও আগে এবং ঘন ঘন স্ক্রিনিং লাগতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে ৩০ বছর বয়স থেকে প্রতিবছর ব্রেস্ট এমআরআইয়ের সঙ্গে ম্যামোগ্রাম বিবেচনা করা হয়।
৭৫ বছরের পর নিয়মিত স্ক্রিনিং চলবে কি না, তা নির্ভর করে ব্যক্তির সামগ্রিক স্বাস্থ্য, অন্যান্য রোগ, সম্ভাব্য আয়ু এবং চিকিৎসকের পরামর্শের ওপর।
চিকিৎসকের সতর্কবার্তা, স্তনে নতুন চাকা, নিপল থেকে রক্ত বা অস্বাভাবিক স্রাব, ত্বক কুঁচকে যাওয়া, নিপল ভেতরে ঢুকে যাওয়া কিংবা স্তনের আকারে নতুন পরিবর্তন দেখা দিলে স্ক্রিনিংয়ের বয়সের জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। তাঁর ভাষায়, স্ক্রিনিং উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরের কাজ নয়, বরং উপসর্গের আগেই রোগ ধরার চেষ্টা।
ছবি: Bill Branson, National Cancer Institute / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন); ম্যামোগ্রাম পরীক্ষার প্রতীকী ছবি
সূত্র: প্রথম আলো





মন্তব্য
(০)