মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় অসময়ে মাচায় তরমুজ ফলিয়ে সাড়া ফেলেছেন তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মো. হাসানুর রহমান। বিনোদপুর ইউনিয়নের ভাবনপাড়া গ্রামের এই চাষি মাত্র পাঁচ শতাংশ জমিতে ‘ব্ল্যাক বেরি’ ও ‘ইয়োলো মেলন’ নামের দুই জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। মাচায় ঝুলে থাকা হলুদ তরমুজ দেখতে পথচারীরা থেমে দাঁড়াচ্ছেন, অনেকে ছবিও তুলছেন।
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাগুরা জেলা শহর থেকে ২০ গ্রাম বীজ কিনতে তাঁর খরচ হয়েছে ১,৩০০ টাকা। সেই বীজ থেকে নিজেই চারা তৈরি করে গত আগস্টে জমিতে রোপণ করেন। প্রায় দেড় মাস পরিচর্যার পর গাছে ফল আসতে শুরু করে।
প্রচলিত পদ্ধতির বদলে তিনি বাঁশের খুঁটি ও নাইলনের নেট দিয়ে মাচা বানিয়েছেন। সেই মাচা বেয়ে ছড়িয়েছে তরমুজের লতা, আর লতার ফাঁকে ঝুলছে হলুদ ও সবুজ রঙের তরমুজ।
হাসানুর রহমান বলেন, "নিতান্তই শখের বশে তরমুজ চাষ করেছি। মাচায় ঝুলে থাকা তরমুজ দেখতে খুব ভালো লাগে।" স্থানীয় কৃষক বাবলু ও জমির জানান, এলাকায় সাধারণত এভাবে তরমুজ চাষ হয় না; কৃষি অফিসের সহযোগিতা পেলে তাঁরাও নতুন ফসল চাষের কথা ভাবছেন।
মহম্মদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইশরাত জাহান শিলু বলেন, এ অঞ্চলের কৃষকেরা সাধারণত তরমুজ চাষ করেন না। হাসানুরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, তাঁর সাফল্য দেখে অন্যরাও আগ্রহী হতে পারেন।
কৃষিসংশ্লিষ্টরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বাণিজ্যিকভাবে এমন চাষে যেতে হলে উৎপাদন খরচ, ফলন ও বাজার চাহিদা আগে বিবেচনা করা দরকার। প্রতিবেদনটি পাঠিয়েছেন জাগো নিউজের মাগুরা জেলা প্রতিনিধি।
ছবি: হলুদ শাঁসের তরমুজ, JFVelasquez Floro / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)