খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলায় বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যার পিক আওয়ারে এসব জেলায় লোডশেডিং ছিল ১১৬ মেগাওয়াট, দুপুরের অফ-পিক আওয়ারেও ১০১ মেগাওয়াট। ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা।
ওজোপাডিকোর কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণকক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যার পর ২১ জেলায় চাহিদা ছিল ৬৯৪ মেগাওয়াট, সরবরাহ ৫৭৮ মেগাওয়াট। খুলনা জোনে ৫২৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মিলেছে ৪৪৭ মেগাওয়াট (ঘাটতি ৮১), বরিশাল জোনে ১৬৬ মেগাওয়াটের বিপরীতে ১৩১ মেগাওয়াট (ঘাটতি ৩৫)।
সন্ধ্যায় জেলাভিত্তিক সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং ছিল খুলনায় ২৯ মেগাওয়াট, এরপর বরিশালে ২২, রাজবাড়ীতে ১৩, ফরিদপুরে ১২ ও ঝিনাইদহে ১১ মেগাওয়াট। দুপুরে বরিশালে ২৫ ও খুলনায় ১৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেওয়া হয়।
আগের দিন, মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১টায় ২১ জেলায় ঘাটতি ছিল ৩৬ মেগাওয়াট, আর সন্ধ্যা ৭টায় ৭৯ মেগাওয়াট। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে দুপুর ও সন্ধ্যা দুই সময়েই ঘাটতি বেড়েছে।
খুলনার গোবরচাকার বাসিন্দা বেলাল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আগে এক ঘণ্টা পরপর এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকত না, বুধবার একটানা দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে; হিসাবে তাঁর এলাকায় দিনে ১৩-১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। বয়রার আম্বিয়া খাতুনের কথায়, গ্যাসের সংকট বিদ্যুৎ দিয়ে সামলানোর চেষ্টা চলছিল, তার মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিং পরিস্থিতি অসহনীয় করে তুলেছে। টুটপাড়ার লতিকা রানি বলেন, জরুরি কাজের সময়ও বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে।
প্রতিবেদনটি বাংলা ট্রিবিউনের খুলনা প্রতিনিধির।
ছবি: Towhidul Islam 21 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0); লোডশেডিংয়ের রাতে ফরিদপুরের লেকপাড়, প্রতীকী ছবি
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন



মন্তব্য
(০)