মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় এবার আখের ফলন গত বছরের চেয়ে বেশি হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস ও স্থানীয় কৃষকদের তথ্যে, চলতি বছর উপজেলায় ১৫৫ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয়েছে। উৎপাদন খরচ কম আর লাভ বেশি হওয়ায় আখ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।
আড়িয়াল খাঁ নদের পাড়ের রামচন্দ্রপুর ও খুনেরচর গ্রামের জমিতে সবচেয়ে বেশি আখ হয়েছে। এখানে মূলত চারটি জাত চাষ হয়: সাদা বম্বাই, কাজলী গেন্ডারি, রং বিলাস ও বাঁশ গেন্ডারি। রসালো ও মিষ্টি হওয়ায় মাদারীপুরের বাজারে এসব আখের চাহিদা বেশি।
খুনেরচর গ্রামের সেলিম হোসেন জানান, এ বছর গ্রামে অনেক আখ হয়েছে এবং কৃষকেরা আখ কেটে লাভজনক দামে বিক্রি করতে পেরে খুশি। আখ কাটা ও বিক্রি নিয়ে এখন তাঁদের ব্যস্ত সময় কাটছে।
স্থানীয় উৎপাদন বাড়ায় সুবিধা পাচ্ছেন বিক্রেতারাও। মাদারীপুর শহরের পুরানবাজারের আখ বিক্রেতা আইয়ুব আলী বলেন, আগে অন্য জেলা থেকে আখ আনতে হতো; এখন কালকিনি থেকে কিনে আনায় খরচ কমেছে, ক্রেতাদের কাছেও কম দামে বিক্রি করতে পারছেন।
তবে এবার সরকারি সহায়তা পেয়েছেন অল্প কয়েকজন। কালকিনি উপজেলা কৃষি অফিসার সুদীপ বিশ্বাস বলেন, এ বছর আখ চাষে সরকারি প্রণোদনা বা বরাদ্দ কিছুটা কম ছিল, তাই অল্প চাষিকে সহায়তার আওতায় আনা গেছে। আগামীতে উপকারভোগীর সংখ্যা ও প্রণোদনা বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে, আর আখ ভালো হওয়ায় এখানে বড় পরিকল্পনা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
প্রতিবেদনটি পাঠিয়েছেন জাগো নিউজের মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি।
ছবি: বাংলাদেশের একটি আখক্ষেত, Plague / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)