২০২৬-২৭ বিপণন মৌসুমে ভারতের চিনি উৎপাদনের পূর্বাভাস ১৪ শতাংশ কমিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। কাঁচা চিনির হিসাবে নতুন পূর্বাভাস ২ কোটি ৯৫ লাখ টন, আগে ছিল ৩ কোটি ৩৬ লাখ টন। ইউএসডিএর ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের ষাণ্মাসিক চিনি প্রতিবেদনের বরাতে খবরটি দিয়েছে রুরাল ভয়েস।
প্রতিবেদন বলছে, উৎপাদন সাম্প্রতিক বছরগুলোর সর্বনিম্ন স্তরের কাছাকাছি থাকবে। এতে ভারতের চিনির চাহিদা ও উৎপাদনের ফারাক বাড়তে পারে এবং সরবরাহ ও দামে চাপ পড়তে পারে।
নয়াদিল্লির এফএএস দপ্তর আখের উৎপাদনের পূর্বাভাসও প্রায় ৬ শতাংশ কমিয়ে ৪৩ কোটি ৪০ লাখ টন করেছে, আগে ছিল ৪৫ কোটি ৫০ লাখ টন। আখের আবাদি জমির হিসাব ১ শতাংশেরও কম কমিয়ে ৫৯ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর থেকে ৫৯ লাখ হেক্টর করা হয়েছে, কারণ কিছু কৃষক বেশি লাভের অন্য অর্থকরী ফসলে যাচ্ছেন।
মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক ও উত্তরপ্রদেশে মাঠ জরিপে দেখা গেছে, টানা দুই বছর স্বাভাবিকের বেশি বৃষ্টির পর আখ ভালোভাবে বেড়ে উঠেছিল। কিন্তু এ বছর তীব্র বৃষ্টির ঘাটতি এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দীর্ঘ খরায় আখের ওজন, হেক্টরপ্রতি ফলন ও চিনির পরিমাণ কমবে বলে ধারণা। আগেভাগে মাড়াই শুরুর চাপে চিনি আহরণ আরও কমতে পারে।
অসময়ের বৃষ্টিতে মহারাষ্ট্রের কিছু জমিতে জলাবদ্ধতা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের কিছু এলাকায় একই জাতের আখ বারবার চাষ করায় লাল মাজরা পোকার আক্রমণ দেখা গেছে। চিনি আহরণের হার ধরা হয়েছে ৮.৬ শতাংশ, মাড়াই শুরু হবে ২০২৬ সালের অক্টোবরে।
ছবি: Honza Soukup / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Rural Voice





মন্তব্য
(০)