আমদানির উৎস বৈচিত্র্যময় করতে তেলবীজ ও ভোজ্যতেলের নতুন উৎস হিসেবে মোজাম্বিককে বিবেচনা করছে ভারত, জানিয়েছে রুরাল ভয়েস। মুম্বাইয়ে গ্লোবঅয়েল ইন্ডিয়া সম্মেলনে ভারতের সলভেন্ট এক্সট্র্যাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (এসইএ) ও উত্তর মোজাম্বিকের নামপুলা প্রদেশ সরকার টেকসই তেলবীজ ও ভোজ্যতেল করিডর গড়ার সম্ভাবনা খুঁজতে একটি আগ্রহপত্রে সই করেছে।
নামপুলার গভর্নর এদুয়ার্দো মারিয়ামো আবদুলা ও এসইএর সভাপতি অংশু মল্লিক এতে সই করেন, টেকসই উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ছিল সলিডারিডাড। তিন বছরের এ চুক্তিতে বাণিজ্যিক বিনিয়োগ, স্থানীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎস শনাক্তযোগ্য সংগ্রহের সুযোগ যাচাই হবে। ১৫ দিনের মধ্যে যৌথ কর্মদল গঠন করে মাটির উপযোগিতা, পরিবহন, বন্দরের সক্ষমতা, খরচ ও পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে সমীক্ষা হবে; ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে এসইএর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি প্রতিনিধিদল নামপুলা সফর করবে।
ভারতের ভোজ্যতেল আমদানি কয়েকটি উৎসে কেন্দ্রীভূত: পাম তেল ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে, সয়াবিন তেল আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে, সূর্যমুখী তেল রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে, ফলে ভূরাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক ধাক্কায় সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়ে। ২০৪৭ সাল নাগাদ দেশটির ভোজ্যতেলের চাহিদা ৪ কোটি ৬৫ লাখ টনে পৌঁছাবে বলে প্রাক্কলন। সড়ক ও রেলপথে গভীর সমুদ্রবন্দর নাকালার সঙ্গে যুক্ত নামপুলা থেকে ভারতের পশ্চিম উপকূলে দক্ষিণ আমেরিকার চেয়ে কম পথে পণ্য পাঠানো যায়।
সলিডারিডাড ক্ষুদ্র কৃষকের ক্ষমতায়ন, পানি ব্যবস্থাপনা ও জমির অধিকারের সুরক্ষা দেখবে, আর কৃষি সম্প্রসারণ হবে কেবল ক্ষয়প্রাপ্ত বা আগে থেকেই রূপান্তরিত জমিতে। বাজারে প্রবেশাধিকার কম থাকা তেলবীজ চাষি ক্ষুদ্র কৃষকদের আনুষ্ঠানিক মূল্যশৃঙ্খলে যুক্ত করার কথাও আছে।
সূত্র: Rural Voice




মন্তব্য
(০)