পিরোজপুর সদর উপজেলার পোরগোল্লা গ্রামের উদ্যোক্তা নাসির হাওলাদারের মাল্টা বাগান এখন প্রায় ১৬ বিঘায়। চলতি মৌসুমে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রির আশা করছেন তিনি; গত বছর বিক্রি করেছিলেন প্রায় ১৬ লাখ টাকার। তবে এবার ভারী বর্ষণে কিছু ফল ঝরে গেছে, জানিয়েছে কৃষি সময়।
২০০৯ সালে বাউকুল দিয়ে চাষ শুরু করেছিলেন নাসির। সাফল্য পেয়ে এক বিঘায় পরীক্ষামূলকভাবে বারি মাল্টা-১ লাগান, ভালো ফল পেয়ে পরে বাগান বাড়ান। ‘হাওলাদার কৃষি খামার’ নামে তাঁর খামারে প্রায় তিন বিঘায় পেঁপে ও নানা শাকসবজিও হয়; সব মিলিয়ে প্রায় ২০ বিঘায় সমন্বিত চাষ। এবার স্ট্রবেরি চাষ শুরুর পরিকল্পনা করছেন তিনি।
বাগান দেখাশোনায় আটজন শ্রমিক কাজ করেন। ব্রাহ্মণকাঠী গ্রামের শ্রমিক সুজন মীর জানান, প্রায় পাঁচ বছর ধরে তিনি গাছের গোড়ায় সার দেওয়া, কীটনাশক প্রয়োগ, পরিচর্যা আর ফল তোলার কাজ করছেন; মাসে ১৮ হাজার টাকা বেতন, দুপুরের খাবার ও চিকিৎসার খরচ পান।
নাসিরের ভাতিজা মো. নাদিম শেখ বলেন, কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে অল্প জমিতে শুরু করে আশানুরূপ ফল পাওয়ার পর বাগান বাড়ানো হয়; তাঁকে দেখে এলাকার অনেকে এখন মাল্টা চাষ করছেন। তাঁর ভাষ্য, এলাকার প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। নাসিরের মাল্টা ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় যায়।
প্রতিবেদনটি কৃষি সময়ের পিরোজপুর সংবাদদাতার।
ছবি (প্রতীকী): গাছে সবুজ কমলাজাতীয় ফল। ছবি: AerobicFox / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)