কৃষি উপকরণ সংগ্রহের ভবিষ্যৎ কোন দেশ ঠিক করবে, ভারত না চীন, এগ্রিবিজনেস গ্লোবাল ট্রেড সামিটে তা নিয়ে বিতর্কে বসেছিলেন দুই দেশের ফসল সুরক্ষা কোম্পানির কর্মকর্তারা; তিনটি পরিবর্তনের বিষয়ে তাঁরা একমত হন, জানিয়েছে এগ্রিবিজনেস গ্লোবাল।
ভারতের পক্ষে ছিলেন ভারত রসায়নের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা অভিষেক আগরওয়াল এবং ট্যাগ্রোস কেমিক্যালস ইন্ডিয়ার নির্বাহী প্রেসিডেন্ট ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা অভিজিৎ বসু। চীনের পক্ষে ছিলেন এসপিএম বায়োসায়েন্সেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেভিড লি এবং সিচুয়ান লেশান ফুহুয়া তোংদা অ্যাগ্রো-কেমিক্যাল টেকনোলজির ফসল সুরক্ষা বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কেভিন লি।
প্রথমত, আলোচকদের মতে প্রতিযোগিতার মূল বিষয় হিসেবে দামের জায়গা নিচ্ছে আস্থা: ক্রেতারা চাইছেন মেধাস্বত্বের সুরক্ষা, নির্ভরযোগ্যতা ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারি। আগরওয়াল বলেন, গত দশক ছিল কে সেরা বা সবচেয়ে সস্তা সরবরাহকারী তা নিয়ে, আগামী দশক হবে কে সবচেয়ে আস্থাভাজন তা নিয়ে। লির ব্যাখ্যায় আস্থা মানে সক্ষমতা, কৃষককে সাহায্যের ইচ্ছা এবং কৃষকের হয়ে ঝুঁকি নেওয়া।
দ্বিতীয়ত, সরবরাহ শৃঙ্খলের সহনশীলতা: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতসহ ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে, আর যে দেশ টিকে থাকতে পারবে সে-ই নেতৃত্ব দেবে বলে মত দেন আলোচকেরা। বসু বলেন, এটি নতুন স্বাভাবিক কি না তিনি জানেন না, তবে শিল্পকে এর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হবে, আর যত দ্রুত তত ভালো।
তৃতীয়ত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হবে প্রতিযোগিতার বড় হাতিয়ার। বসু ও আগরওয়াল জানান, সরবরাহ শৃঙ্খল, পরিবহন, উৎপাদন ও গবেষণায় ভারত এআই সক্ষমতা বাড়িয়েছে, তবে মেনে নেন যে চীন এগিয়ে। আগরওয়ালের ভাষায়, বালাইনাশক শিল্পে এআই এবং নতুন অণু উদ্ভাবনে আজকের দিনে চীনের হাতই ওপরে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন ম্যাট হপকিনস।
সূত্র: AgriBusiness Global




মন্তব্য
(০)