সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ২ কিমি/ঘ

হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্ত্রোপচারকক্ষ নেই, ৫০ শয্যার কাজ সাত বছরেও শেষ হয়নি

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার মানুষের একমাত্র সরকারি হাসপাতালে ১৩১ পদের ৫৬টি খালি, কনসালট্যান্ট নেই, অস্ত্রোপচারকক্ষ, এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম নেই; ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ ২০১৯ সালে শুরু হয়ে এখনো শেষ হয়নি।

হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্ত্রোপচারকক্ষ নেই, ৫০ শয্যার কাজ সাত বছরেও শেষ হয়নি
স্বাস্থ্য

জনবল সংকট, সরঞ্জামের ঘাটতি আর অস্ত্রোপচারকক্ষ না থাকায় ধুঁকছে চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। মেঘনাপারের উপজেলাটির প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা এই হাসপাতাল। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে রোগীদের জেলা শহরে যেতে হচ্ছে, তাতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে।

প্রতিদিন বহির্বিভাগে অন্তত ৬০০ রোগী চিকিৎসা নেন। ৩১ শয্যার বিপরীতে অন্তর্বিভাগে ভর্তি থাকেন ৫০ থেকে ৫২ জন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত ১৩১ পদের মধ্যে কর্মরত ৭৫ জন, খালি ৫৬টি। ২০ জন চিকিৎসকের পদে আছেন ১১ জন; তিনজন কনসালট্যান্ট থাকার কথা থাকলেও একজনও নেই। নার্সের ৩০টি পদের মধ্যে কর্মরত ২৬ জন।

সবচেয়ে বড় সংকট অস্ত্রোপচারকক্ষ না থাকা। এখানে কোনো অস্ত্রোপচার হয় না, শুধু স্বাভাবিক প্রসব হয়; অস্ত্রোপচার লাগলে প্রসূতিকে অন্য হাসপাতালে পাঠাতে হয়। প্যাথলজি বিভাগ থাকলেও এক্স-রে মেশিন, আলট্রাসনোগ্রাম বা সংশ্লিষ্ট টেকনিশিয়ান নেই, ফলে সাধারণ পরীক্ষার জন্যও রোগীদের বাইরে যেতে হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, একতলা ভবনের ৩১টি শয্যাই রোগীতে পূর্ণ; আরও অনেক রোগী ও স্বজন বারান্দায় থাকছেন, আর এক কক্ষে ছয়জন চিকিৎসক রোগী দেখছেন। রোগী সেলিনা বেগমের স্বামী মনজুর মিয়া বলেন, "বেড খালি না থাকায় মেঝেতে থাকতে হচ্ছে।" আরেক রোগী মহসিন মিয়া জানান, ছোটখাটো অপারেশনের জন্যও জেলা সদরে যেতে হয়।

হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার অবকাঠামো কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালে, শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের ডিসেম্বরে। ছয় দফা মেয়াদ বাড়ানোর পরও কাজ শেষ না হওয়ায় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ঠিকাদারের চুক্তি বাতিল করা হয়। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে নতুন ঠিকাদারকে কাজের আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদন্নবী মাছুম বলেন, ৫০ শয্যার অবকাঠামো কাজ শেষ হলে চিকিৎসাসেবা আরও বিস্তৃত হবে; কাজ দেরি হওয়ায় চিকিৎসকদের কক্ষেও রোগী রাখতে হচ্ছে। প্রতিবেদনটি আজকের পত্রিকার।

ছবি: DelwarHossain / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0); হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

সূত্র: আজকের পত্রিকা

আজকের পত্রিকাসূত্র

স্বাস্থ্য

সম্পর্কিত খবর

স্বাস্থ্য

সাত দশকেও বিশ্রামাগার নেই পাবনা মানসিক হাসপাতালে, গাছতলায় রাত কাটান রোগীর স্বজন

১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫০০ শয্যার পাবনা মানসিক হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী আসেন, কিন্তু রোগী ও স্বজনদের বসা বা বিশ্রামের কোনো ব্যবস্থা নেই; হাসপাতাল বলছে, আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রকল্পে স্বজনদের জন্য ডরমিটরির পরিকল্পনা আছে।

আজকের পত্রিকা১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

বছরে ১২,৭৬৪ নারীর স্তন ক্যানসার, জাতীয় স্ক্রিনিং নীতিমালা চান বিশেষজ্ঞরা

আজ স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবসে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে নারীদের ক্যানসারের মধ্যে স্তন ক্যানসারই সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হচ্ছে; আইএআরসির হিসাবে বছরে প্রায় ১২,৭৬৪ জন আক্রান্ত হন এবং ৬,৮৪৪ জন মারা যান।

বাংলা ট্রিবিউন১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

সাত বছর মানসিক স্বাস্থ্যের জাতীয় জরিপ নেই, শেষ হিসাবে প্রতি পাঁচ প্রাপ্তবয়স্কে একজন আক্রান্ত

দেশে মানসিক স্বাস্থ্যের সর্বশেষ জাতীয় জরিপ হয়েছিল ২০১৮-১৯ সালে; তখন প্রাপ্তবয়স্কদের ১৮.৭ শতাংশ ও শিশুদের ১২.৬ শতাংশ কোনো না কোনো মানসিক রোগে ভুগছিলেন, আর ৯২ শতাংশের বেশি চিকিৎসা পাননি। এরপর কোনো জরিপ হয়নি, বিশেষজ্ঞরা বলছেন পরিস্থিতি খারাপ হওয়াই স্বাভাবিক।

দেশ রূপান্তর১০ অক্টোবর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)