সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ২ কিমি/ঘ

বছরে ১২,৭৬৪ নারীর স্তন ক্যানসার, জাতীয় স্ক্রিনিং নীতিমালা চান বিশেষজ্ঞরা

আজ স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবসে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে নারীদের ক্যানসারের মধ্যে স্তন ক্যানসারই সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হচ্ছে; আইএআরসির হিসাবে বছরে প্রায় ১২,৭৬৪ জন আক্রান্ত হন এবং ৬,৮৪৪ জন মারা যান।

বছরে ১২,৭৬৪ নারীর স্তন ক্যানসার, জাতীয় স্ক্রিনিং নীতিমালা চান বিশেষজ্ঞরা
স্বাস্থ্য

দেশে নারীদের বিভিন্ন ক্যানসারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হচ্ছে স্তন ক্যানসার। সময়মতো শনাক্ত না হওয়া ও সচেতনতার অভাবে প্রতিবছর বহু নারী মারা যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জাতীয় পর্যায়ে স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং নীতিমালা প্রণয়ন এখনই জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস।

বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থার (আইএআরসি) প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে জানান, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১২,৭৬৪ জন নারী স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং ৬,৮৪৪ জন মারা যান। তিনি জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটের ক্যানসার ইপিডেমিওলজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, বর্তমানে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক ক্যানসার হাসপাতালের প্রকল্প সমন্বয়কারী।

তাঁর ভাষায়, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে সঠিক ও সম্পূর্ণ চিকিৎসায় স্তন ক্যানসারের ৯০ শতাংশ রোগীর সেরে ওঠার সম্ভাবনা থাকে। বাংলাদেশের মতো স্বল্প সম্পদের দেশে দামি যন্ত্রের চেয়ে সচেতনতা, নিয়মিত নিজে স্তন পরীক্ষা (সেলফ এক্সামিনেশন), মায়েদের বুকের দুধ খাওয়ানো এবং তৃণমূলে কম খরচের স্ক্রিনিং ক্যাম্পই মৃত্যুহার কমাতে পারে বলে তিনি জোর দেন।

দিবসটি উপলক্ষে ফোরাম ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগ আজ সকাল ১০টায় বিএমইউর ডা. মিলন হলে "স্তন ক্যানসারের বৈশ্বিক ও জাতীয় পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও উত্তরণের উপায়" শীর্ষক সংলাপের আয়োজন করেছে। বেলা ১১টায় শাহবাগ থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত গোলাপি শোভাযাত্রা ও লিফলেট বিতরণ হবে।

সংলাপে প্রধান অতিথি বিএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। অংশ নেবেন বিএমইউর ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন এবং জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. হালিদা হানুম আখতার। অনুষ্ঠানে ফোরামের তিন সপ্তাহের কর্মসূচিও ঘোষণা করা হবে।

আয়োজকেরা জানান, ফোরামটি ২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর ১০ অক্টোবর বেসরকারিভাবে দিবসটি পালন করছে। অক্টোবরজুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে আলোচনা সভা, এলাকাভিত্তিক পথসভা, লিফলেট বিতরণ এবং গোলাপি রঙে সাজানো বাসে প্রচার চলে।

বিশেষজ্ঞদের মূল বার্তা: সচেতনতা আর প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণই স্তন ক্যানসারে মৃত্যু কমানোর পথ। প্রতিবেদনটি বাংলা ট্রিবিউনের।

ছবি: Jason Meredith / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0); স্তন ক্যানসার সচেতনতার গোলাপি ফিতার প্রতীকী ছবি

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

বাংলা ট্রিবিউনসূত্র

স্বাস্থ্য

সম্পর্কিত খবর

স্বাস্থ্য

সাত দশকেও বিশ্রামাগার নেই পাবনা মানসিক হাসপাতালে, গাছতলায় রাত কাটান রোগীর স্বজন

১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫০০ শয্যার পাবনা মানসিক হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী আসেন, কিন্তু রোগী ও স্বজনদের বসা বা বিশ্রামের কোনো ব্যবস্থা নেই; হাসপাতাল বলছে, আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রকল্পে স্বজনদের জন্য ডরমিটরির পরিকল্পনা আছে।

আজকের পত্রিকা১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্ত্রোপচারকক্ষ নেই, ৫০ শয্যার কাজ সাত বছরেও শেষ হয়নি

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার মানুষের একমাত্র সরকারি হাসপাতালে ১৩১ পদের ৫৬টি খালি, কনসালট্যান্ট নেই, অস্ত্রোপচারকক্ষ, এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম নেই; ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ ২০১৯ সালে শুরু হয়ে এখনো শেষ হয়নি।

আজকের পত্রিকা১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

সাত বছর মানসিক স্বাস্থ্যের জাতীয় জরিপ নেই, শেষ হিসাবে প্রতি পাঁচ প্রাপ্তবয়স্কে একজন আক্রান্ত

দেশে মানসিক স্বাস্থ্যের সর্বশেষ জাতীয় জরিপ হয়েছিল ২০১৮-১৯ সালে; তখন প্রাপ্তবয়স্কদের ১৮.৭ শতাংশ ও শিশুদের ১২.৬ শতাংশ কোনো না কোনো মানসিক রোগে ভুগছিলেন, আর ৯২ শতাংশের বেশি চিকিৎসা পাননি। এরপর কোনো জরিপ হয়নি, বিশেষজ্ঞরা বলছেন পরিস্থিতি খারাপ হওয়াই স্বাভাবিক।

দেশ রূপান্তর১০ অক্টোবর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)