সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৩%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

ফেনীতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না ওএমএসের চাল-আটা

ফেনী পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে ওএমএস কেন্দ্র মাত্র ছয়টি, ১৬ বছরে বাড়েনি; বরাদ্দ কম থাকায় দুই-তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও খালি হাতে ফিরছেন নিম্ন আয়ের অনেক মানুষ।

ফেনীতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না ওএমএসের চাল-আটা
দৈনন্দিন

ফেনীতে খোলাবাজারে বিক্রির (ওএমএস) চাল ও আটা কিনতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও অনেককে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। শহরের কেন্দ্রগুলোতে জনপ্রতি পাঁচ কেজি চাল ও পাঁচ কেজি আটা কেনার সুযোগ আছে; চালের কেজি ৩০ টাকা, আটার ২৪ টাকা। ভোর থেকেই কেন্দ্রের সামনে নিম্ন আয়ের মানুষের লম্বা সারি পড়ে, কিন্তু বরাদ্দ কম থাকায় সবাই পান না।

আমার দেশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১০ সালে ফেনী পৌরসভায় ওএমএস কার্যক্রম চালু হয় ১৮টি ওয়ার্ডে ছয়টি বিক্রয়কেন্দ্র দিয়ে। ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়েনি, ফলে সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিনের বেশি বিক্রি চালানো যাচ্ছে না। অথচ খাদ্য বিভাগের তথ্যে, পাশের কুমিল্লায় কেন্দ্র বাড়িয়ে ৩২টি করা হয়েছে; নোয়াখালীতে ১৭টি, চাঁদপুরে ১৫টি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২টি কেন্দ্র আছে।

আট নম্বর ওয়ার্ডের ওএমএস ডিলার মো. আকবর হোসেন জানান, কোনো সপ্তাহে দুদিন, কোনো সপ্তাহে তিন দিন তিনি বরাদ্দ পান; প্রতিবার ৭৫০ কেজি চাল ও ৭৫০ কেজি আটা। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর পর্যন্ত বিক্রি চলে। তাঁর মতে, সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন এক টন করে চাল ও আটা দিলে চাহিদা কিছুটা মেটানো যেত।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের তথ্যে, ২০১০ সালে ফেনী পৌরসভার জনসংখ্যা ছিল ১ লাখ ৯২ হাজার, এখন ২ লাখ ৭৮ হাজার; বেড়েছে প্রায় ৪২ শতাংশ। এর বাইরে স্টার লাইন গ্রুপের ১৭টি কারখানা, আবুল খায়ের ম্যাচ ফ্যাক্টরি ও কোয়ালিটি জুট মিলসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের হাজারো শ্রমিকও কম দামে খাবার কিনতে এসব কেন্দ্রে আসেন।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আলাউদ্দিন ঢালী বলেন, ছয়টি কেন্দ্র দিয়ে একদিন ১ থেকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে, পরদিন ৭ থেকে ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বিক্রি চালাতে হয়। দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিদিন তিন টন চাল ও আটা ট্রাকে বিক্রির বরাদ্দ থাকলেও ফেনীতে তা নেই। কেন্দ্র ও বরাদ্দ বাড়ানো এবং ট্রাকে বিক্রি চালুর প্রয়োজনের কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা ওএমএস কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম বলেন, ফেনীতে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষের সংখ্যা কম নয়, অন্য জেলা থেকেও অনেকে কাজের খোঁজে আসেন; অথচ দীর্ঘদিনেও বিক্রয়কেন্দ্র বাড়ানো হয়নি, যা দুঃখজনক।

ওএমএস কর্মসূচি শুরু হয় ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে, বিশ্বব্যাপী খাদ্যসংকট ও দেশে চালের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার পর, ঢাকার পলাশী বাজারে; দরিদ্র মানুষের খাদ্যনিরাপত্তার জন্য পরে তা দেশজুড়ে ছড়ানো হয়।

ছবি: প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন); ২০২৪ সালে ঢাকা অঞ্চলে ওএমএসের চাল ও আটা বিক্রি (প্রতীকী ছবি)।

সূত্র: আমার দেশ

আমার দেশসূত্র

দৈনন্দিন

সম্পর্কিত খবর

দৈনন্দিন

ঘরের গাছ কি সত্যিই বাতাস সতেজ রাখে? জানালা খোলাই বেশি জরুরি

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের অধ্যাপক জন ট্রেগনিং বলছেন, একটি গাছ দিনে কয়েক লিটার অক্সিজেন দেয় আর মানুষের লাগে প্রায় ৫০০ লিটার; ঘরের বাতাস ভালো রাখতে বায়ু চলাচলই বেশি কাজের, তবে গাছ মনে স্বস্তি দেয়।

বাংলা ট্রিবিউন২৪ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
দৈনন্দিন

ঘরের কোণে মনস্টেরা, বারান্দায় লতানো গাছ: বায়োফিলিক অন্দরসাজে সবুজ ঘর

গাছপালা, প্রাকৃতিক আলো-বাতাস আর কাঠ-বাঁশ-বেতের উপকরণে ঘরকে প্রকৃতির কাছাকাছি করার বায়োফিলিক অন্দরসাজ: কোন ঘরে কোন গাছ, কম আলোয় কোনটি টেকে, বারান্দায় ছোট সবুজ কোণ আর পরিচর্যার সতর্কতা।

জাগো নিউজ ২৪২৩ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
দৈনন্দিন

লিটারে এক টাকা লাভ, সরবরাহেও টান: ঢাকার খুচরা দোকানে মিলছে না বোতলের সয়াবিন

মিরপুর, মালিবাগ ও মৌচাকের বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না, খোলা তেল বিক্রি হচ্ছে লিটার ১৯০-২০০ টাকায়; দোকানিরা বলছেন লাভ লিটারে এক টাকা আর কোম্পানি বাকি বন্ধ করেছে, এর মধ্যে লিটারে আরও ১৩ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন পরিশোধনকারীরা।

জাগো নিউজ ২৪২৩ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)