অস্ট্রেলিয়ার ফিডলট খাতে স্থায়ী ছাদ এখন বড় ব্যবসা। বিফ সেন্ট্রাল জানাচ্ছে, গোল্ড কোস্টে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত শিল্পের বিফএক্স (BeefEX) সম্মেলনে প্রায় ১০০টি বাণিজ্যিক স্টলের মধ্যে অন্তত পাঁচ-ছয়টি স্থায়ী শেড সরবরাহকারীর বড় উপস্থিতি ছিল।
অস্ট্রেলিয়ান লট ফিডার্স অ্যাসোসিয়েশনের জেফ হাউসের (Jeff House) অনুমান, দেশটির ফিডলটের প্রায় ৫০ হাজার গবাদিপশু এখন শেডক্লথের বদলে স্থায়ী ছাদের নিচে থাকে। ২০-৩০ বছর আগে মাত্র দুই-তিনটি ফিডলটে এমন কাঠামো ছিল; এখন ২০ থেকে ৩০টি বড় ফিডলট এতে বিনিয়োগ করেছে, বেশির ভাগই শেডক্লথের পাশাপাশি, তার জায়গায় নয়।
প্রথম দিকে ছিল জাপানের জাসকো/ইয়নের (Jusco/Aeon) তাসমানিয়ার ফিডলট, যেখানে আবহাওয়ার কারণে ছাউনি অপরিহার্য ছিল, এবং দক্ষিণ নিউ সাউথ ওয়েলসের কালকেয়ারনের কাছে অ্যাশলে পার্ক ওয়াগিউ ফিডলট। কয়েক বছর পর রেঞ্জার্স ভ্যালি এই পথে আসে, তবে আসল গতি এসেছে গত পাঁচ থেকে আট বছরে।
এসব ছাউনির বেশির ভাগই দীর্ঘদিন খাওয়ানো ওয়াগিউ ও অ্যাঙ্গাস গরুর জন্য। ব্যতিক্রম কুইন্সল্যান্ডের পূর্ব ডার্লিং ডাউনসের একটি ছোট ইয়ার্ড, যেখানে মূলত সুপারমার্কেট চেইন কোলসের জন্য ৭০-৯০ দিনের গরু খাওয়ানো হয় এবং পুরোনো ফিডলটের ওপরেই ছাদ তোলা হয়েছে।
শিল্পের কেউ কেউ শেড শব্দটি এড়াতে চান। তাঁদের মতে, এতে চারদিক বন্ধ বাক্স ও নিবিড় উৎপাদনের ধারণা তৈরি হয়। তাঁরা বলছেন, এসব কাঠামোতে অবাধ বাতাস, আলো ও বায়ু চলাচল থাকে, কোথাও কোথাও গরু খোলা অংশেও যেতে পারে।
ছাউনির নিচে গরুর সংখ্যা ঠিক রাখা একটি ভারসাম্যের কাজ। সাধারণত যে ঘেরা চেঁছে গোবর সরাতে হয় তা অনেক সময় আর লাগে না। তবে এক ইয়ার্ড ব্যবস্থাপক বলেন, গরু কম হলে ঘেরায় ধুলা ওড়ে, আর বেশি হলে কাদা হয়ে যায়।
ছবি: Billy Hathorn / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Beef Central





মন্তব্য
(০)