কৃষি কার্বন বাজার নিয়ে তিনটি প্রকাশনা উন্মোচিত হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে টেকসই পার্বত্য উন্নয়ন সম্মেলন (এসএমডিএস) ২০২৬-এ। ১২ থেকে ১৪ অক্টোবরের এ সম্মেলনের আয়োজক শের-ই-কাশ্মীর কৃষিবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (স্কাস্ট-কাশ্মীর)।
প্রকাশনাগুলো তৈরি করেছে স্কাস্ট-কাশ্মীর, ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইআইইডি) ও ভলান্টারি কার্বন মার্কেটস ইন্টেগ্রিটি ইনিশিয়েটিভ (ভিসিএমআই), ভারতের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনে। এর একটি, পরিবেশগত ও সামাজিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, মন্ত্রণালয় গ্রহণ করবে ভারতের কার্বন ক্রেডিট ট্রেডিং স্কিমের আওতায় কৃষি কার্বন প্রকল্পের পরিবেশগত ও সামাজিক ঝুঁকি যাচাই ও সামলানোর মূল রক্ষাকবচ হিসেবে।
দ্বিতীয়টি কৃষকের নির্দেশিকা: জলবায়ু-সহিষ্ণু চাষাবাদ কীভাবে নিঃসরণ কমায় ও কার্বন ধরে রাখে, আর কৃষক কীভাবে জেনেবুঝে, স্বচ্ছ ও ন্যায্য শর্তে কার্বন প্রকল্পে যুক্ত হতে পারেন। তৃতীয়টি প্যারিস চুক্তির ৬.২ অনুচ্ছেদের টুলকিট, যা সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক কার্বন বাজার সহযোগিতার অনুমোদন, শাসনব্যবস্থা ও পরিবেশগত সততা নিয়ে দিকনির্দেশনা দেয়।
স্কাস্ট-কাশ্মীরের উপাচার্য নাজির এ. গানাই বলেন, প্রকাশনাগুলো পরিবেশের অখণ্ডতা ও সামাজিক ন্যায্যতা রক্ষা করে কৃষির জলবায়ু পদক্ষেপে কার্বন বাজার যুক্ত করার বাস্তব নির্দেশনা দেয়; তিনি মাটির কার্বন ও টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার ভূমিকার ওপর জোর দেন। ভিসিএমআইয়ের নীতি ব্যবস্থাপক জর্জ হজেটস (George Hodgetts) বলেন, উচ্চমানের কার্বন বাজার কৃষিতে জলবায়ু অর্থায়ন আনতে পারে, কারণ জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা সত্ত্বেও কৃষিতে অর্থায়ন কম।
আইআইইডির জলবায়ু সহনশীলতা, অর্থায়ন ও ক্ষয়ক্ষতি বিভাগের পরিচালক ঋতু ভরদ্বাজ বলেন, অংশগ্রহণের শর্ত কৃষককে বুঝতে হবে, সুবিধার ন্যায্য ভাগ পেতে হবে এবং ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত থাকতে হবে।
আয়োজকদের ভাষায়, তিনটি প্রকাশনা মিলে নীতিনির্ধারক, প্রতিষ্ঠান ও কৃষক সমাজকে কার্বন বাজারের সুযোগ যাচাই করতে সাহায্য করবে, যাতে প্রকল্পগুলো দায়িত্বশীল হয় এবং যুক্ত হওয়া কৃষকের প্রতি ন্যায্য থাকে।
ছবি: Sauood07 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Global Agriculture




মন্তব্য
(০)