খামারের তথ্য কাজে লাগাতে দামি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম লাগে না, লাগে খামারের মৌলিক কাজের নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য হিসাব। দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষি তথ্য প্রতিষ্ঠান অ্যাগ্রিটিস্টিকসের তথ্য বিশ্লেষণ বিশেষজ্ঞ স্টেফান করবেট (Stefan Corbett) ফুড ফর মজানসির লিসাকানিয়া ভেনাকে এ কথা বলেন।
করবেটের মতে, বেশির ভাগ চাষি নিজের অজান্তেই অনেক তথ্য জমান: রোজকার খাতা, আবহাওয়া, ব্যাংকের বার্তা, মেসেজ। কিন্তু তথ্য কাজে আসে তখনই, যখন তা উৎপাদনের ফলের সঙ্গে যুক্ত হয়। তাঁর ভাষায়, তথ্য হলো যার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া যায়, আর ডেটা শুধু যা ঘটেছে তার রেকর্ড। একটি প্রাণী কোথায় ছিল, কী বদলানো হলো, এক মাস পর কী সাড়া মিলল, এগুলো মেলালেই বোঝা যায় সিদ্ধান্ত বা উপকরণ কাজ করেছে কি না।
সবকিছু না লিখে কয়েকটি সহজ ও গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠিতে মন দেওয়ার পরামর্শ তাঁর। সবচেয়ে বড় ভুল অসংগতি: এক সপ্তাহ খাওয়ানোর আগে আর পরের সপ্তাহ খাওয়ানোর পরে ওজন নিলে হিসাব বিকৃত হয়। তাই প্রতিটি মাপ কীভাবে নেওয়া হবে, তার নির্দিষ্ট নিয়ম ঠিক করতে হবে, বিশেষ করে যখন কয়েকজন মিলে লেখেন। তাঁর কথায়, ভুল তথ্য ঢুকলে ভুল ফলই বের হয়।
ছোট ও মাঝারি খামারের সরাসরি জটিল সফটওয়্যারে যাওয়ার দরকার নেই। খাতা, হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা বা সাধারণ এক্সেল শিটেই স্থায়ী রেকর্ড থাকে, যা বিশ্বাসযোগ্যতা গড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা দেখায়। করবেট বলেন, ভোঁতা পেনসিলও তীক্ষ্ণ স্মৃতির চেয়ে ভালো; যা লেখা থাকে, তা মনে রাখার চেষ্টার চেয়ে অনেক বেশি দামি।
শুরু করার পরামর্শ: একটি সহজ মাপ বেছে নিন, যেমন নির্দিষ্ট তারিখে প্রতিটি প্রাণীর ওজন বা প্রতিদিনের বৃষ্টিপাত, তারপর অভ্যাস হলে ধীরে ধীরে বাড়ান।
ছবি: Bocholter / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: ফুড ফর মজানসি





মন্তব্য
(০)