প্রাচীন ঐতিহ্য, সুগন্ধি মশলা, টাটকা সবজি আর সাধারণ উপকরণ, এই নিয়েই মিশরীয় রান্না। প্রতিদিনের সংবাদের এক প্রতিবেদনে দেশটির কয়েকটি জনপ্রিয় পদের কথা বলা হয়েছে, যেগুলোর উপকরণ বাংলাদেশের রান্নাঘরেও অপরিচিত নয়।
মিশরের পথখাবার হাওয়াওশিতে পকেটযুক্ত রুটির ভেতরে ভরা হয় গরুর কিমা, পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ ও নানা মশলা। এরপর রুটি সেঁকে বা ওভেনে বেক করা হয়। সঙ্গে থাকে আচার ও তাহিনি সস।
মিশরীয় শাকশুকায় পেঁয়াজ, রসুন, পুদিনা ও ফেটা চিজের সঙ্গে রান্না হয় ডিম, ওপরে দেওয়া হয় ঝাল সবুজ হারিসা সস। সকালের নাশতা বা হালকা খাবারে এটি বেশ চলে।
পশ্চিম মরুভূমির সিওয়া অঞ্চলে কুমড়োর বিশেষ কদর। সেই ঐতিহ্য থেকে আসা কুমড়ো ও মসুর ডালের স্যুপে থাকে পেঁয়াজ, রসুন, টমেটো, মরিচ ও বাহারাত মশলা। সব উপকরণ ধীরে রান্না করে মসৃণ করে নিলেই ঘন স্যুপ তৈরি হয়। নিরামিষ খাবার যাঁরা পছন্দ করেন, তাঁদের জন্যও এটি ভালো।
মিশরের জাতীয় খাবার হিসেবে পরিচিত ফুল তৈরি হয় ফাভা বিন দিয়ে। টমেটো, রসুন, জিরা ও জলপাইয়ের তেলে রান্না করা শিম চটকে পরিবেশন করা হয় কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, পার্সলে ও লেবুর রসের সঙ্গে, পাশে গরম বালাদি রুটি।
উপকূলীয় এলাকায় চিংড়ির কিমা, ধনেপাতা, ডিল ও রসুনের কোফতা রান্না হয় টমেটো ও মরিচের ঝাল সসে, পরিবেশন করা হয় ভাতের সঙ্গে।
ছবি: Miansari66 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)
সূত্র: প্রতিদিনের সংবাদ



মন্তব্য
(০)