দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে দক্ষতা বাড়াতে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। হাটহাজারী, কুমিল্লা ও মীরসরাই অঞ্চলের ২৫ জন মাঠপর্যায়ের দুগ্ধ উদ্যোক্তা এতে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলনকক্ষে রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান হয়। সিভাসুর পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগ এর আয়োজন করে; অর্থায়ন করে সমবায় অধিদপ্তরের ‘দুগ্ধঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ’ প্রকল্প।
অনলাইনে যুক্ত প্রধান অতিথি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ বলেন, দুগ্ধঘাটতি এলাকায় উন্নত সংকর জাতের গাভি পালনের মাধ্যমে দুধের উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের গুণগত মান রেখে সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানির ওপর জোর দেন।
বিশেষ অতিথি সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক মো. সেলিম ফকির বলেন, দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা ও লাবাংসহ নানা পণ্য তৈরি সম্ভব, আর মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের যুক্ত করে এসব পণ্য বাজারজাতকরণে সহযোগিতা বাড়ানো দরকার। প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ম নিবন্ধক তোফায়েল আহম্মদ প্রশিক্ষণার্থীদের দুগ্ধজাত পণ্য তৈরির যন্ত্রপাতি সরবরাহের কথা নিশ্চিত করেন।
সিভাসুর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ ইলাহী চৌধুরী প্রশিক্ষণের জ্ঞান মাঠে কাজে লাগানো এবং যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে দুধের অপচয় রোধের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসির পরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এম হুমায়ুন কবির।
প্রশিক্ষক ছিলেন অধ্যাপক ড. এ কে এম হুমায়ুন কবির, তোফায়েল আহম্মদ, ডিভিএম অনুষদের ডিন অধ্যাপক গৌতম কুমার দেবনাথ, বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল বারী, চট্টগ্রাম জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা।
প্রতিবেদন: বার্তা২৪-এর চট্টগ্রাম স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।
ছবি: Reaid Hossain / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: বার্তা২৪




মন্তব্য
(০)