চীনের রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা সংস্থা ২০২৭ সালের জন্য গম, ভুট্টা, চাল ও তুলার শুল্কহার-কোটা এ বছরের সমান রেখেছে, আর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সার আমদানির কোটাও অপরিবর্তিত রেখেছে বলে জানিয়েছে গ্লোবাল এগ্রিকালচার। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সয়াবিন কেনাকাটা চললেও বেইজিং খাদ্যশস্য বা সার আমদানির জন্য বাড়তি সুযোগ খুলছে না।
২০২৭ সালের তালিকায় গমের কোটা ৯৬.৪ লাখ টন, ভুট্টা ৭২ লাখ টন, চাল ৫৩.২ লাখ টন ও তুলা ৮,৯৪,০০০ টন, সবই ২০২৬ সালের সমান। সার আমদানির শুল্কহার-কোটা থাকছে ১ কোটি ৩৬.৫ লাখ টন।
বাণিজ্য বিশ্লেষকেরা জোর দিয়ে বলেছেন, এটি নতুন বিধিনিষেধ নয়, পুরোনো ব্যবস্থারই ধারাবাহিকতা। ২০০১ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় যোগ দেওয়ার পর থেকে চীন কম শুল্কে কেবল লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি অংশ আমদানি করতে দেয়। খাদ্যশস্য কোটার বড় অংশ রাষ্ট্রীয় বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের হাতে; আমদানি কতটা হবে তা কোটার সংখ্যার চেয়ে বেশি নির্ভর করে বেইজিংয়ের মজুত সিদ্ধান্ত, কোটার ভেতর ও বাইরের শুল্কের ফারাক এবং দেশি ভুট্টা আমদানির চেয়ে দামি কি না তার ওপর।
সয়াবিন কোটা ব্যবস্থার বাইরে। সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সি চিনপিংয়ের বৈঠকের পর প্রথমবার অক্টোবরের মাঝামাঝি চীনের রাষ্ট্রীয় ক্রেতারা যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিন কেনা আবার শুরু করেন। এর আগে ২০২৬-২৭ সালের জন্য হোয়াইট হাউসের ভাষ্যমতে বেইজিংয়ের সম্মত আড়াই কোটি টনের মধ্যে চীন প্রায় ১ কোটি ৩৭ লাখ টন নিয়েছিল; বেইজিং এই অঙ্ক প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেনি।
চীনের শুল্ক বিভাগের তথ্যে সেপ্টেম্বরে সব উৎস থেকে সয়াবিন আমদানি ছিল প্রায় ১ কোটি ১৮.৮ লাখ টন, এক বছর আগের চেয়ে ৭.৭ শতাংশ কম; অর্থাৎ বাণিজ্যের মূল গল্প এখন কোটাভুক্ত শস্য নয়, সয়াবিন।
সূত্র: গ্লোবাল এগ্রিকালচার




মন্তব্য
(০)