প্রোটিনসমৃদ্ধ দুগ্ধপণ্য ও দুধের উপাদানের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় কানাডার দুধের বাজারের কাঠামো বদলে গেছে। টরন্টোতে ল্যাক্টানেটের ডেইরি ওপেন ইন্ডাস্ট্রি ফোরামে এ কথা বলেন কানাডিয়ান ডেইরি কমিশনের পরিচালক বেনোয়া বাসিয়ে (Benoît Basillais)। খবরটি দিয়েছে ম্যানিটোবা কো-অপারেটর।
২০১৪ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে কানাডার ভোক্তারা অনেক বেশি মাখন, ক্রিম, দই ও পনির কিনেছেন। খামারিরা খাদ্য ও ব্যবস্থাপনা বদলে দুধে চর্বির পরিমাণ বাড়িয়েছেন। সাধারণত প্রায় ৪ শতাংশ চর্বির দুধ দেওয়া হলস্টেইন গাভি ৫ শতাংশ বা তার বেশি চর্বির দুধ দিতে থাকে। ফলে চর্বি ও প্রোটিনসহ অন্যান্য কঠিন উপাদানের অনুপাত ২০২২ ও ২০২৩ সালে নেমে আসে ২ দশমিক ১১-তে, আর বাজারে অন্য উপাদানের কাঠামোগত উদ্বৃত্ত তৈরি হয়।
এরপর ২০২৫ সালে প্রোটিনের চাহিদা লাফিয়ে বাড়ে; উচ্চ প্রোটিনের দই, কটেজ চিজ ও দুগ্ধ প্রোটিন উপাদানের বিক্রি বাড়ে জোরেশোরে। বাসিয়ে বলেন, ভোক্তারা বুঝে গেছেন প্রোটিন সস্তা এবং স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কানাডার সরবরাহ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে দুধের দামের অনুপাত ঠিক করে খামারিদের সংগঠন; এ বছরের শুরুতে তারা প্রোটিনকে বেশি মূল্য দিতে কয়েক দফা পরিবর্তন এনেছে।
খামারিদের সমস্যা হলো, খাদ্য বা ব্যবস্থাপনা বদলে দুধে প্রোটিন খুব একটা বাড়ানো যায় না; প্রধান উপায় জাত উন্নয়ন। বাসিয়ের ভাষায়, ছয় মাসে জাত বদলানো যায় না। মাখনচর্বির প্রয়োজন এখনো আছে, ক্রিমের চাহিদা বছরে ৪ থেকে ৫ শতাংশ বাড়ছে; তবে একদিন মাখনচর্বিরই উদ্বৃত্ত হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, পাঁচ বছরেই বাজার ভারসাম্যে এসেছে, সবকিছু খুব দ্রুত ঘটেছে, আর এটি শিল্পের জন্য বড় পরিবর্তন। প্রতিবেদনটি লিখেছেন জন গ্রেগ (John Greig)।
ছবি: Dennis G. Jarvis / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: ম্যানিটোবা কো-অপারেটর




মন্তব্য
(০)