অতিমাত্রায় সংক্রামক বার্ড ফ্লু (এইচপিএআই) শনাক্ত হওয়ায় কানাডা, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের ছয়টি এলাকা থেকে পোলট্রি ও পোলট্রিজাত পণ্য আমদানি স্থগিত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ৭ অক্টোবরের কমিশন বাস্তবায়ন বিধি (ইইউ) ২০২৬/২২৬৮ অনুযায়ী এই স্থগিতাদেশ ৮ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে।
এলাকাগুলো হলো কানাডার ম্যানিটোবার দুটি ও আলবার্টার একটি অঞ্চল, স্কটল্যান্ডের আইল অব লুইস এলাকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার স্টার্নস কাউন্টি ও ইন্ডিয়ানার জে কাউন্টি। এসব প্রাদুর্ভাবে এইচ৫এন১, এইচ৫এন৫ ও এইচ৫ ধরন পাওয়া গেছে; শনাক্তের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর (ম্যানিটোবা) থেকে ২ অক্টোবর (স্কটল্যান্ড)।
আইল অব লুইসের নেস এলাকার কাছে বাড়ির উঠানের একটি মুরগির ঝাঁকে পাওয়া সংক্রমণটি ১ অক্টোবর শুরু হওয়া ২০২৬-২৭ মৌসুমে গ্রেট ব্রিটেনের প্রথম ঘটনা। এতে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে গ্রেট ব্রিটেন বার্ড ফ্লুমুক্ত মর্যাদা হারিয়েছে। আক্রান্ত খামার ঘিরে ৩ কিলোমিটার সুরক্ষা অঞ্চল ও ১০ কিলোমিটার নজরদারি অঞ্চল ঘোষণা করেছে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ।
ইইউ পুরো দেশ নয়, এলাকা ধরে নিয়ম প্রয়োগ করে। তাই কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের আক্রান্ত নয় এমন এলাকা থেকে পোলট্রি রপ্তানি চলছে। তবে ওই ছয় এলাকার খামারিরা এলাকা সংক্রমণমুক্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত ইইউ-তে জীবিত পাখি, ডিম ফোটানোর ডিম ও তাজা মাংস পাঠাতে পারবেন না; এতে সাধারণত কয়েক মাস লাগে।
দশ দিনের মধ্যে তিন দেশে পাঁচটি প্রাদুর্ভাব শরতের সেই চেনা ধারার সঙ্গে মেলে, যখন পরিযায়ী বুনো পাখির পথ ধরে ভাইরাস বাণিজ্যিক ও উঠানের খামারে ঢোকে। গ্লোবাল এগ্রিকালচার লিখেছে, ২০২৫-২৬ মৌসুম ছিল উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের পোলট্রি খামারিদের জন্য সবচেয়ে কঠিন মৌসুমগুলোর একটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর প্রভাব তিন দেশের বাইরেও পড়তে পারে। ভারতের পোলট্রি শিল্প, এশিয়ার অনেক দেশের মতোই, আমদানি করা গ্র্যান্ডপ্যারেন্ট ও প্যারেন্ট স্টকের ওপর নির্ভর করে, আর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্য সেই প্রজনন-মুরগি সরবরাহের অনুমোদন পাওয়া অল্প কয়েকটি দেশের মধ্যে রয়েছে।
ছবি: USDAgov / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: গ্লোবাল এগ্রিকালচার




মন্তব্য
(০)