কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের কাজীহাটা গ্রামে ২৫ বিঘা জমিতে নেপালি সাগর জাতের কলা চাষ করেছেন তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মো. আসিফ আওয়াল উৎস। প্রথম দফার ফলন থেকে খরচ বাদ দিয়ে দ্বিগুণ লাভ হয়েছে বলে তাঁর দাবি; বাগানটি এখন এলাকার কৃষকদের আগ্রহের কেন্দ্র।
টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে চারা এনে বাণিজ্যিকভাবে এ জাতের চাষ শুরু করেন আসিফ। প্রথমবারেই ভালো ফলন পাওয়ায় আবাদ বাড়ান। তাঁর ভাষ্য, বড় কাঁদি, আকর্ষণীয় রং ও স্বাদের কারণে বাজারে এ কলার চাহিদা আছে, আর একবার চারা রোপণ করে একই জমি থেকে তিন দফায় কলা তোলা যায়; তাই খরচের তুলনায় লাভের সুযোগ বেশি। আরও দুই দফা ফলনের অপেক্ষায় আছেন তিনি।
নেপালি সাগরের পাশাপাশি সবরি, চাঁপা, চিনিচাঁপা ও জি-নাইন জাতের কলাও চাষ করছেন আসিফ। তাঁর বাগানের কলা স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে।
বাগানের পরিচর্যাকারী জাহাঙ্গীর আলম জানান, কাঁদি বড় হলে গাছের ওপর চাপ বাড়ে; বাতাসে হেলে পড়া বা কাঁদির ভারে গাছ ভাঙা ঠেকাতে বাঁশ বা লাঠির ঠেকা দিতে হয়। নিয়মিত সার দেওয়া, রোগবালাই দেখা ও পরিচর্যাও লাগে। স্থানীয় কৃষক আব্দুর রাজ্জাকের মতে, ধানের চেয়ে কলায় লাভ বেশি, তাই অনেকে কলা চাষে ঝুঁকছেন, আর বাগানে স্থানীয়দের কাজের সুযোগও তৈরি হচ্ছে।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সদরুল ইসলাম বলেন, ভেড়ামারায় কলা চাষের পরিধি বাড়ছে এবং কৃষি বিভাগ আসিফের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. মাহমুদা সুলতানা পলি জানান, কলাচাষিদের সমস্যা চিহ্নিত করে মাঠপর্যায়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, একই সঙ্গে কলা পাকাতে কার্বাইড বা বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহার না করতে কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে।
এগ্রিকেয়ার২৪ প্রতিবেদনটি রাইজিং বিডি থেকে নিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে।
ছবি: The Roving Rokibul / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪


মন্তব্য
(০)