সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৪ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

বাকৃবির গবেষকদলের ইউরোপিয়ান স্যাভয় ক্যাবেজ উৎপাদন

দেশীয় আবহাওয়ায় ইউরোপিয়ান স্যাভয় ক্যাবেজ উৎপাদন করলেন ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ এবং তার গবেষকদল। অধ্যাপক হারুনের এই গবেষণা দলে সহযোগী হিসেবে আছেন বাকৃবির মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সাদিয়া রহমান মাইশা।

দেশীয় আবহাওয়ায় ইউরোপিয়ান স্যাভয় ক্যাবেজ উৎপাদন করলেন ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ এবং তার গবেষকদল। অধ্যাপক হারুনের এই গবেষণা দলে সহযোগী হিসেবে আছেন বাকৃবির মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সাদিয়া রহমান মাইশা।

অধ্যাপক হারুন বলেন, 'স্যাভয় ক্যাবেজ বাংলাদেশে একদম নতুন একটি শীতকালীন সবজি। এটি বাঁধাকপির একটি জাত। যার বিশেষ গুণ হলো- এটি খুব মচমচে ও ভিন্ন ধরনের। সাধারণ বাঁধাকপি যেমন পরিপক্ক হলে শক্ত হয় কিন্তু স্যাভয় ক্যাবেজের পাতাগুলো মচমচে হওয়ায় রান্না করে খাওয়ার পাশাপাশি কাঁচা অবস্থায় ও স্যুপ করে খেলেও অত্যন্ত সুস্বাদু লাগে। বিভিন্ন ফাস্ট ফুড, যেমন- বার্গার, স্যান্ডউইচ ইত্যাদির সঙ্গে খাওয়া যায়।'

তিনি বলেন, 'জৈব মালচিং পদ্ধতিতে আমরা এই স্যাভয় ক্যাবেজ চাষ করেছি। এটি আমরা ইংল্যান্ড থেকে নিয়ে এসেছি। এর নামটি এসেছে ফ্রান্সের একটি জায়গার নাম থেকে। ইতালিতে একে মিলান ক্যাবেজ বলা হয়।'

ফলন সম্পর্কে অধ্যাপক বলেন, 'স্যাভয় ক্যাবেজের আরেকটি বিশেষত্ব হলো এর মাথার ওজনই দেড় থেকে দুই কেজি এবং পাতাসহ ওজন প্রায় তিন কেজি।'

পুষ্টিগুণ সম্পর্কে তিনি বলেন, 'ভিটামিন সির পাশাপাশি এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন কে থাকে, যা মানুষের স্বাভাবিক হার্টবিট বজায় রাখতে এবং কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক কমাতে সাহায্য করে। এতে বিদ্যমান ফোলেট ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বাচ্চাদের মস্তিষ্ক গঠনে সাহায্য করে।'

এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, সি, ফলেট ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। ফলেট থাকায় এটি হৃদরোগ কমাতে সাহায্য করে। ওমেগা-৩ বাচ্চাদের হাড় গঠন, শরীর বৃদ্ধি ও বুদ্ধির বিকাশে সাহায্য করে। তাছাড়া এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ন্যাচারাল অ্যান্টিহিস্টামিন আছে, যা অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়তা করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, স্যাভয় ক্যাবেজে আইসোথায়োসায়ানাইড থাকে। যেটি ফুসফুসের ক্যান্সার ৩৮ শতাংশ পর্যন্ত কমায়। তাছাড়া ওয়েটলস ড্রিংকস হিসেবে খাওয়া যায়। যা শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি একই সাথে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্যও সহায়ক।

বিদ্যমান ভিটামিন সম্পর্কে অধ্যাপক বলেন, 'সাধারণত সবুজ শাক-সবজিতে বিটা ক্যারোটিন থাকে কিন্তু স্যাভয় ক্যাবেজে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন থাকে এবং এটি ভিটামিন-এ'র অন্যতম উৎস।'

শিক্ষার্থী সাদিয়া রহমান মাইশা বলেন, 'এর চাষাবাদ পদ্ধতি অন্য ক্যাবেজের মতোই। গবেষণা প্লটে ২৫ দিনের চারা চাষ করেছি। চারা লাগানো থেকে হারভেস্টিং পর্যন্ত সময় লেগেছে ২ মাস। সাধারণ ক্যাভেজের তুলনায় এর ফলন বেশি। ম্যাচিউর হওয়ার পরও সতেজ ও মচমচে থাকায় এর পাতাও পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়।'

পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ নতুন সবজিটি চাষাবাদের জন্য কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এ গবেষণার মূল উদ্দেশ্য বলে জানান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ।

আসিফ ইকবাল/এসইউ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

উপকারী ব্যাকটেরিয়ায় কীটনাশক ছাড়াই বর্ষায় বেগুন-ঢ্যাঁড়শ: হাবিপ্রবির গবেষণায় সাফল্য

হাবিপ্রবির গবেষকেরা এন্ডোফাইটিক ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করে রাসায়নিক কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ছাড়াই বর্ষাকালে বেগুন ও ঢ্যাঁড়শ চাষ করেছেন। তাঁরা তরল জৈবসার তৈরির যন্ত্রও উদ্ভাবন করেছেন।

আমার দেশ৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

মহাস্থান হাটে মুলা ১০ টাকা কেজি, ফুলকপি ১৫-২০: খরচ তুলতে পারছেন না চাষিরা

বগুড়ার মহাস্থান আড়তে নতুন ওঠা মুলা ও ফুলকপির দাম পড়ে গেছে। চাষিদের অভিযোগ, কম দামের ওপর ৪০ কেজির মণে দিতে হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৪ কেজি সবজি।

কৃষি সময়৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

মালচিং পদ্ধতিতে আগাম টমেটো: কমলগঞ্জে আবাদ বেড়ে ৭৫ হেক্টর, দর কেজিতে ৯০-১০০ টাকা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মালচিং পেপার বিছিয়ে আগাম টমেটো চাষে আগাছা ও রোগবালাই কমছে, মাটির আর্দ্রতা থাকছে। আবাদ এক বছরে ৬০ থেকে বেড়ে ৭৫ হেক্টর হয়েছে।

কৃষি সময়৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)