মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় মালচিং পদ্ধতিতে আগাম টমেটো চাষ করে লাভ পাচ্ছেন কৃষকেরা। জমির সারি সারি শয্যায় মালচিং পেপার বিছিয়ে চারা রোপণ করায় আগাছা নিয়ন্ত্রণ, মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা ও পরিচর্যা সহজ হচ্ছে। চাষিরা বলছেন, এতে ফলন বেশি, রোগবালাইয়ের আক্রমণ কম।
চলতি বছর উপজেলায় ৭৫ হেক্টর জমিতে আগাম টমেটো চাষ হয়েছে, গত বছর ছিল ৬০ হেক্টর। প্রায় ৪৯০ জন কৃষক এই চাষে যুক্ত। বারি টমেটো-৮ ও মঙ্গলরাজা জাতের পাশাপাশি কিছু স্থানীয় জাতও চাষ হচ্ছে।
টমেটো বিক্রি এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। কৃষকেরা জানান, উপজেলায় এখন প্রতি কেজির পাইকারি দর ৯০ থেকে ১০০ টাকা।
আদমপুর ইউনিয়নের মধ্যভাগ গ্রামের কৃষক সাদেক হোসেন এবার ছয় বিঘা জমিতে সাত লাখ টাকা খরচ করে টমেটো চাষ করেছেন। গত বছর তিন বিঘায় খরচ বাদে তাঁর লাভ হয়েছিল আট লাখ টাকা। ফলন ও বাজার অনুকূলে থাকলে এবার ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার টমেটো বিক্রির আশা করছেন তিনি।
আলীনগর, মাধবপুর ও ধলই চা-বাগান এলাকার কৃষকেরা মিলে আরও প্রায় ২০ বিঘায় আগাম টমেটো করেছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, আগাম টমেটোয় কৃষক তুলনামূলক ভালো দাম পান, আর মালচিং গাছের গোড়া ও শিকড়ের সুরক্ষা সহজ করে। গ্রীষ্মকালীন টমেটোয় এই পদ্ধতি ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
ছবি: Dwight Sipler / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)