সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৪ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৪°মেঘলাআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

মেঘনা-তেঁতুলিয়ায় ইলিশের জন্য হাহাকার

ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশের ভরা মৌসুম শুরু হলেও জেলেদের জালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। ফলে প্রতিদিনই চরম হতাশা নিয়ে তীরে ফিরছেন জেলেরা। আর নদীতে আশানুরূপ ইলিশের দেখা না পেয়ে ধার-দেনা ও ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে চিন্তিত তারা।

ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশের ভরা মৌসুম শুরু হলেও জেলেদের জালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। ফলে প্রতিদিনই চরম হতাশা নিয়ে তীরে ফিরছেন জেলেরা। আর নদীতে আশানুরূপ ইলিশের দেখা না পেয়ে ধার-দেনা ও ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে চিন্তিত তারা।

জেলেরা বলছেন, বুকভরা স্বপ্ন ও ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের আশায় প্রতিদিন নদীতে গিয়ে হতাশা নিয়ে তীরে ফিরতে হচ্ছে।

সদর উপজেলার মেঘনা নদী তীরের বিভিন্ন এলাকার জেলে পল্লীতে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলেরা নৌকা, ট্রলার নিয়ে নদীতে নেমে জাল ফেলছেন কিন্তু তাদের জালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। ফলে চরম হতাশা নিয়ে তীরে ফিরছেন জেলেরা। ভরা মৌসুমেও ইলিশ না পেয়ে অনেক জেলেই নদীতে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

সদর উপজেলার নাছির মাঝি এলাকার জেলে মো. সবুজ মাঝি, হানিফ মাঝি ও হাবিবুল মাঝি জানান, নদীতে ৫-৬ জন করে দল বেঁধে ইলিশ শিকারের জন্য যাচ্ছেন। কিন্তু সারাদিন নদীতে জাল ফেলেও মিলছে না আশানুরূপ ইলিশ। নদীতে গিয়ে কেউ বিভিন্ন সাইজের ৪-৬টা, কেউ ১০-১২টা আবার কেউ ২-৩টা ইলিশ পাচ্ছেন। সেগুলো ঘাটে বিক্রি করে যে টাকা পান তা তেলের দোকানে দিয়ে দেখা যায় কারো ১ হাজার টাকা থাকে আবার কারো থাকে ৫-৭শ টাকা। ওই টাকা জেলেদের মাঝে ভাগ করে দেখা যায় জনপ্রতি ১-২শ সর্বচ্চো ৩শ টাকার বেশি পাওয়া যায় না। এতে করে সংসার চালানোসহ এনজিওর কিস্তি পরিশোধ করা নিয়ে খুবই চিন্তিত তারা।

তুলাতুলি এলাকার জেলে মো. সাইফুল মাঝি ও রাকিব মাঝি জানান, নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও তারা আশায় আশায় যাচ্ছেন।

তারা জানান, ইলিশ ধরা না পড়ায় লোকসানের কারণে অনেক জেলে নদীতে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ এনজিওর কিস্তি পরিশোধের চাপে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সব মিলে বর্তমানে জেলেপল্লীগুলোতে হাহাকার চলছে।

তুলাতুলি মৎস্য ঘাটের ব্যবসায়ী মো. কামাল হোসেন ও মো. মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, বর্ষা মৌসুমের আগে ঢাকা, চাঁদপুর, বরিশাল ও খুলনার পাইকারী মোকামের আড়ৎদার থেকে দাদন এনে জেলেদের দিয়েছি। বর্ষা মৌসুমে জেলেরা ইলিশ পাবে সেই মাছ আমরা মোকামের আড়তদারকে পাঠাবো, কিন্তু বর্তমানে নদীতে ইলিশা ধরা না পরায় বিপাকে রয়েছেন তারা।

তারা আরও জানান, ভরা মৌসুমে যদি এমন অবস্থা আরও কিছুদিন চলতে থাকে তাহলে মোকামের মহাজনদের চাপে তাদেরও আড়ৎ বন্ধ করে পালিয়ে যেতে হবে।

ভোলা জেলে মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, বর্তমানে মাঝে মাঝে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়লে নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাবেন জেলেরা। আর এতে করে জেলেদের সমস্যাও দ্রুত সমাধান হবে।

ভোলার সাত উপজেলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন প্রায় আড়াই লাখ জেলে। এদের মধ্যে সরকারিভাবে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

চাঁদপুরের ঘাটে ইলিশ নেই, নিষেধাজ্ঞার পর কেজিতে দাম বেড়েছে ৪০০ টাকা পর্যন্ত

নিষেধাজ্ঞা শেষে দুদিনে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার মণ ইলিশ এলেও এখন দিনে মিলছে ২৫ থেকে ৩০ মণ; এক কেজির স্থানীয় ইলিশের দাম উঠেছে দুই হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত।

বাংলা নিউজ ২৪৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

ভোলায় নিষেধাজ্ঞার পর জালে ওঠা ইলিশের বেশিরভাগই ডিমওয়ালা, সময় নিয়ে প্রশ্ন

ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ কম মিলছে, জেলেদের হিসাবে ১০০টির ৯৫টির পেটেই ডিম; জেলেরা বলছেন নিষেধাজ্ঞা আরও পরে হলে ভালো হতো, বিজ্ঞানী দেখছেন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব।

জাগো নিউজ ২৪৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

৪০টি হাঁস থেকে বছরে ২৫-৩০ লাখ টাকা আয়, পীরগঞ্জের দুই বন্ধুর খামার

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের আব্দুল মজিদ ও নজরুল ইসলাম তিন বছর আগে ৪০টি হাঁস দিয়ে শুরু করে এখন ইনকিউবেটরে বাচ্চা ফুটিয়ে বিক্রি করছেন, সঙ্গে পুকুরে মাছ চাষ। তাঁদের দাবি, বছরে আয় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা।

কৃষি সময়৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)