বেড়েছে শীতের সবজির সরবরাহ, কমছে দাম
খুলনার বাজারে কমতে শুরু করেছে সবজির দাম। শীতকালীন সবজি বাজারে আসতে শুরু করায় সবধরনের সবজির দাম ১০-১৫ টাকা কমেছে। সবধরনের মুরগি কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
খুলনার বাজারে কমতে শুরু করেছে সবজির দাম। শীতকালীন সবজি বাজারে আসতে শুরু করায় সবধরনের সবজির দাম ১০-১৫ টাকা কমেছে। সবধরনের মুরগি কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
উত্তরাঞ্চলের শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত নওগাঁ জেলায় কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনি বার্তা। আর এই আগাম শীতে স্থানীয় বাজারে আসতে শুরু করেছে ফুলকপি, শিম, টমেটোসহ নানান শীতকালীন শাকসবজি। এতে শুরুর দিকে দাম চড়া থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে এসব সবজির দাম এখন কমতে শুরু করেছে। ন্যায্য মূল্য পেয়ে খুশি কৃষকরাও।
সরবরাহ সংকটের অজুহাতে রাজধানীতে সবধরনের ফলের দাম বেড়েছে। খুচরা বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি ফল আগের তুলনায় ৩০ থেকে ৮০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
বাজার ব্যবস্থাপনাজাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ‘বাজারদর’ অ্যাপে চাল, ডাল, মসলা, মাছ-মাংস, সবজি, ফল ও জ্বালানিসহ শতাধিক পণ্যের দাম প্রতিদিন হালনাগাদ হয়; ২০২৫ সালের ২৩ জুন চালু হওয়া অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটি অফলাইনেও চলে।
মৎস্য২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, কেজিপ্রতি ন্যূনতম দাম ১২.৫ ডলার। ঢাকায় তখন এক কেজির ইলিশ আড়াই হাজার টাকা; ক্যাব ও ক্রেতারা সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন।
মৎস্য২০২৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কয়েকটি বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছিল কেজি ২ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছিল, বেড়েছিল অন্য মাছের দামও।
আমের রাজধানী হিসেবে খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ। মৌসুমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই জেলায় আম ঘিরে চলে উৎসবমুখর পরিবেশ। জেলার বিভিন্ন হাটবাজারের মধ্যে কানসাট আমবাজারকে বলা হয় দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি আমের বাজার। মৌসুমে প্রতিদিন এখানে বিক্রি হয় অন্তত ২০ কোটি টাকার আম।
চাঁদপুরে ইলিশের বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুরের সবচেয়ে বড় ইলিশ অবতরণকেন্দ্র বড় স্টেশন মাছঘাটে এই অভিযান চালায় সংস্থাটি।
ভরা মৌসুমেও পর্যাপ্ত ইলিশের দেখা মিলছে না বরিশালের ইলিশ মোকামে। যে পরিমাণ মাছ আসছে তা অতিরিক্ত দামের কারণে কিনতে পারছেন না সাধারণ ক্রেতারা। আগে এমন সময়ে হাজার মণ ইলিশ এলেও বর্তমানে ১৫০-২০০ মণ ইলিশ আসছে মোকামগুলোতে। সংশ্লিষ্টরারা বলছেন, ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেশি, সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে।
ইলিশের মৌসুম ধরা হয় জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত। এবার মৌসুম শুরু হলেও অধরা এই রুপালি মাছ। এদিকে দামের কারণে ক্রেতারা অসন্তোষ।
ভরা মৌসুমে বাজারে এখন ছোট-বড় সব ধরনের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। তবে দামের কারণে ক্রেতার নাগালে তো নেই এমনকি যারা বিক্রি করছেন তারা পর্যন্ত ইলিশ খাওয়ার সাহস পাচ্ছেন না। এখন এক কেজি ওজনের একটা ইলিশ কিনতে যে পয়সা গুনতে হচ্ছে সে টাকায় সাড়ে ৩ কেজি গরুর মাংস কেনা সম্ভব।
ভাই ইলিশ কত করে? এটা (দেড় কেজি ওজনের) এক দাম ৩ হাজার ২০০ টাকা কেজি। এটা (এক কেজি ওজনের) নিলে ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি। ছোটগুলো (৩০০-৪০০ গ্রাম) ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজি।
রাজধানী ঢাকার বাজারে গত কয়েকদিন মাছের সরবরাহ কমেছে। পাশাপাশি টানা বৃষ্টির কারণে ক্রেতাও কিছুটা কম। এতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছে। এক কেজির চেয়ে বেশি ওজনের ইলিশ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০০ টাকায়। বেড়েছে গরিবের মাছ হিসেবে পরিচিত পাঙাসের দামও। বড় আকারের পাঙাস প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টা