সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৯%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

মৌসুমের শুরুতে নাগালের বাইরে ইলিশের দাম

ইলিশের মৌসুম ধরা হয় জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত। এবার মৌসুম শুরু হলেও অধরা এই রুপালি মাছ। এদিকে দামের কারণে ক্রেতারা অসন্তোষ।

ইলিশের মৌসুম ধরা হয় জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত। এবার মৌসুম শুরু হলেও অধরা এই রুপালি মাছ। এদিকে দামের কারণে ক্রেতারা অসন্তোষ।

ক্রেতারা জানান, বিগত যেকোনো সময়ের থেকে এবার ইলিশের দাম বেশি যা 'অস্বাভাবিক'।

একইসঙ্গে সরকারি দপ্তরও বলছে, ইলিশের দাম এবারে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। নদীতে মাছ না পাওয়ায় কম সরবরাহ, চাঁদাবাজি এবং ডিজেলের দাম বৃদ্ধির মত কয়েকটি কারণে ইলিশের দাম চড়া বলে জানা গেছে।

ঢাকার খুচরা ও পাইকারী বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের প্রতি পিস ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১০০০-১২০০ টাকার মধ্যে। যা গত বছর বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৭০০-৮৫০ টাকার মধ্যে। ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের একেকটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৮০০-১৯০০ টাকার মধ্যে। যা গত বছর এক হাজার টাকার মধ্যেই পাওয়া যেত। আবার ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি হিসেবে বিক্রেতারা ২০০০-২৩০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করছেন।

এদিকে যে ইলিশগুলো গত বছর বাজারভেদে কেজি প্রতি ১৬০০-১৮০০ টাকার মধ্যেই ভরা মৌসুমে বিক্রি হয়েছে। এ বছর এই ওজনের ইলিশ ২৮০০-৩৫০০ টাকা দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ইলিশের দাম বেশি হওয়ার কারণে বাজারেও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। যে যেভাবে পারছেন দাম বাড়াচ্ছেন, উচ্চ মূল্য হাকাচ্ছেন। শুক্রবারে রামপুরা এবং গুলশান বাজারের মধ্যে প্রতি কেজি ইলিশের দামের পার্থক্য তিন থেকে পাঁচশ টাকা দেখা গেছে।

গুলশান ২ নম্বর বাজারের ক্রেতা মুজাহিদ বলেন, ছেলে-মেয়ে ইলিশ খেতে চায়। কিন্তু আমার সামর্থ্য হয়নি। তাই আজ ইলিশ কিনতে পারিনি। অপেক্ষা করি, যদি কখনো দাম কমে তখনই কিনবো।

ইলিশ বিক্রেতা জুবায়ের আলী বলেন, ইলিশ ধরা পড়ছে কম, সরবরাহও কম। কম সরবরাহেও এবারে বরিশাল, চাঁদপুরের বিভিন্ন স্থানে গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে ইলিশ কিনতে হচ্ছে। এ কারণে আমরাও বেশি দাম দিয়ে ইলিশ বিক্রি করছি।

তিনি বলেন, দামের কারণে মানুষ ইলিশ কেনা একেবারেই কমিয়ে দিয়েছে। এবারের ইলিশের এই অস্বাভাবিক দাম ব্যবসায়ীদেরকেও অস্বস্তিতে ফেলেছে।

এই অবস্থার মধ্যেই ইলিশ চেয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে চিঠি দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মৎস্য ব্যবসায়ীদের সংগঠন। গত ২৯ জুলাই পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে ইলিশ চেয়ে চিঠি দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের 'ফিস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন'। তারা আগামী সেপ্টেম্বরের দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ আমদানি করতে চায়। যে চিঠিটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে।

এনএইচ/এনএইচআর/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলের জালে ৭২ কেজির তিন মাছ, বিক্রি প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজারে

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার কাছে পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলে সেকেন হালদারের জালে ধরা পড়েছে ২৫ ও ২২ কেজির দুটি কাতল এবং ২৫ কেজির একটি বাঘাইড়; নিলাম আর পরের হাতবদলে তিনটি মাছের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

এগ্রিকেয়ার২৪৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

দিরাইয়ের হাওরে কমছে দেশীয় মাছ, কারণ বলছেন কীটনাশক আর বিলে বিষ

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের হাওর, খাল ও বিলে সারাদিন জাল ফেলেও দেশীয় মাছ মিলছে না; স্থানীয়রা ধানখেতে রাসায়নিকের অতিরিক্ত ব্যবহার, ইজারা দেওয়া বিলে বিষ প্রয়োগ ও প্রজননক্ষেত্র নষ্ট হওয়াকে দায়ী করছেন।

কৃষি সময়৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কিশোরগঞ্জের মেঘনা বিলে তিন ফসলি জমিতে মাছের ঘের, মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

কিশোরগঞ্জ সদরের মেঘনা বিলে তিন ফসলি জমি কেটে মাছের ঘের তৈরি ও সেই মাটি ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন কৃষকেরা; বাঁধে পাঁচ বিলের পানি আটকে আমন-বোরো ডোবার আশঙ্কা।

কৃষি সময়৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)