সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

ঢাকার বাজারে এক সপ্তাহে ইলিশের দাম কেজিতে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছিল

২০২৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কয়েকটি বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছিল কেজি ২ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছিল, বেড়েছিল অন্য মাছের দামও।

ঢাকার বাজারে এক সপ্তাহে ইলিশের দাম কেজিতে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছিল
মৎস্য

ইলিশের মৌসুম তখন শেষের দিকে। ২০২৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাজধানীর কাজীপাড়া, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, হাতিরপুল ও রামপুরা বাজারে ছোট, মাঝারি ও বড়, তিন ধরনের ইলিশই প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছিল। তবু জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছিল। এসব বাজারে ইলিশের পাশাপাশি অন্যান্য মাছের দামও বেড়েছিল।

কোন ইলিশ কত দামে


সেদিন বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছিল কেজি ২ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মিলছিল কেজি ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার টাকায়। আর ছোট ইলিশ বা জাটকা বিক্রি হচ্ছিল কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়।

একই দিনে দৈনিক সময়ের আলোও রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে লিখেছিল, ভরা মৌসুমেও ইলিশের দাম আগের মতোই চড়া; এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকায়। পত্রিকাটি জানিয়েছিল, বাজারে সরবরাহ কম থাকার প্রভাব পড়েছে বলে বলা হচ্ছিল।

ইলিশ, বাংলাদেশের জাতীয় মাছ। ছবি: Rezowan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
ইলিশ, বাংলাদেশের জাতীয় মাছ। ছবি: Rezowan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

রুই, পাবদা, পাঙাশসহ অন্য মাছের দাম


জাগো নিউজের হিসাবে ওই বাজারগুলোতে প্রতি কেজি রুই ও কাতলা বিক্রি হচ্ছিল ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকায়, শিং মাছ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় এবং পাবদা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়। পাঙাশ, তেলাপিয়া ও সিলভার কার্পের কেজি ছিল ২২০ থেকে ২৬০ টাকা। ছোট মাছের মধ্যে কাজলি, ট্যাংরা, চিংড়ি ও বাচা মাছ বিক্রি হচ্ছিল কেজি ৭০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়।

সময়ের আলোর প্রতিবেদনে সেদিন চাষের চিংড়ির কেজি ১ হাজার টাকার বেশি, দেশি বোয়াল ১ হাজার টাকা, ট্যাংরা ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা, কাজলি ১ হাজার টাকা, চাষের কই ও পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং পাঙাশ ২০০ টাকা কেজি বলে উল্লেখ করা হয়। সেখানে বিক্রেতারা বলেছিলেন, ইলিশের দাম বাড়ার কারণে অন্যান্য মাছের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

ঢাকার মতিঝিলে ছুটির দিনের একটি বাজারে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে; ছবিটি এই প্রতিবেদনের দিনের নয়। ছবি: Wasiul Bahar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
ঢাকার মতিঝিলে ছুটির দিনের একটি বাজারে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে; ছবিটি এই প্রতিবেদনের দিনের নয়। ছবি: Wasiul Bahar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

বিক্রেতা ও ক্রেতারা যা বলেছিলেন


হাতিরপুল কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী রুবেল হাসান জাগো নিউজকে বলেছিলেন, সে বছর মাছ আসছে কম; জেলেরা সমুদ্রে মাছ পাচ্ছেন না, ফলে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি। মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের বিক্রেতা শফিউজ্জামানের ভাষ্য ছিল, সবাই বড় ইলিশ খোঁজেন, কিন্তু বড় ইলিশের আকাল; ছোট ও মাঝারি ইলিশে বাজার ভরপুর। আরেক বিক্রেতার দাবি ছিল, মৌসুমের শেষ দিকে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আকারভেদে কেজিপ্রতি দাম ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে।

কাজীপাড়ার ফুটপাতের অস্থায়ী বাজারে মাছ কিনতে আসা কলেজশিক্ষক নুরুল হাসান বলেছিলেন, মাছের খাদ্যের দাম কমলেও চাষের মাছের দাম বাড়তি, ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ নেই; তাঁর মতে সরকার চাইলে চাষের মাছের দাম নির্ধারণ করে দিতে পারে। নির্মাণশ্রমিক স্বপন সরকার বলেছিলেন, একটি মাঝারি আকারের ইলিশ কিনতে তাঁর দুই দিনের আয় চলে যায়, তাই বাধ্য হয়ে জাটকা কেনেন।

বাংলাদেশের একটি বাজারে পাঙাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে। ছবি: Sm faysal / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
বাংলাদেশের একটি বাজারে পাঙাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে। ছবি: Sm faysal / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

ইলিশ ও এর উৎপাদন


ইলিশ (Tenualosa ilisha) বাংলাদেশের জাতীয় মাছ। এটি সাগরে থাকে এবং বর্ষা মৌসুমে ডিম ছাড়তে নদীর উজানে যায়। ২০২৫ সালের এপ্রিলে দ্য ডেইলি স্টারে প্রকাশিত মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদন হয়েছিল ৫ দশমিক ২৯ লাখ টন, যা ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ৫ দশমিক ৭১ লাখ টন। ওই প্রতিবেদনে খারাপ আবহাওয়ায় জেলেদের সাগর ও নদীতে যেতে না পারা এবং ইলিশের চলাচলপথে নদীর গভীরতা কমে যাওয়াকে উৎপাদন কমার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

ছবি: DelwarHossain / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, দৈনিক সময়ের আলো, দ্য ডেইলি স্টার, উইকিপিডিয়া (ইলিশ)

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

মেঘনায় ধরা পড়া সাড়ে ১২ কেজির পাঙ্গাস নিলামে বিক্রি ৯,১০০ টাকায়

ভোলা সদরের কাচিয়ার জেলে মাকসুদ মাঝির জালে ওঠা প্রায় ১২ কেজি ৭০০ গ্রামের পাঙ্গাসটি তুলাতুলি মৎস্য ঘাটে নিলামে কিনেছেন আড়তদার কামাল ব্যাপারী।

জাগো নিউজ ২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

নিষেধাজ্ঞার পরদিনই বাজারে শত মণ পচা ইলিশ: দায় খোঁজার আহ্বান অধ্যাপক ফখরুল ইসলামের

জাগো নিউজে প্রফেসর ড. মো. ফখরুল ইসলাম লিখেছেন, ফেনীর বাজারে পচা ইলিশের উৎস, মজুতের জায়গা আর পচনের কারণ তথ্য দিয়ে যাচাই করতে হবে, অনুমাননির্ভর দোষারোপ নয়।

জাগো নিউজ ২৪১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত

গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড় মুরাসুতে পরিণত হয়েছে; এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হয়ে ২ নভেম্বর ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে, উত্তর বঙ্গোপসাগরের মাছ ধরার নৌকাকে উপকূলের কাছে থাকতে বলা হয়েছে।

বাংলা নিউজ ২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)