বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে, নাম দেওয়া হয়েছে ‘মুরাসু’। ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত নামিয়ে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। রোববার (১ নভেম্বর) এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়।
আবহাওয়া অফিস জানায়, দক্ষিণ-পূর্ব ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিমে এগিয়ে ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। দুপুর ১২টায় এর অবস্থান ছিল ১২.০ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৫.২ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
তখন ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ২৯০ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটার এবং পায়রা থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ছিল।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ায় ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠছে। কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল।
পূর্বাভাসে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে এবং পরে উত্তর-পশ্চিমে এগিয়ে ২ নভেম্বর ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে থাকা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
ছবি: NASA / Jeff Schmaltz, MODIS Rapid Response Team / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)