চলতি বছরের অক্টোবরে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় ৬৮ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। মাসটিতে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’সহ দুটি লঘুচাপ তৈরি হলেও বৃষ্টির পরিমাণ ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। রোববার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ৯ অক্টোবর বাংলাদেশ থেকে বিদায় নেয়। ২৩ অক্টোবর পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি প্রথম লঘুচাপটি ধাপে ধাপে ঘনীভূত হয়ে ২৬ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে রূপ নেয়, পরে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হয়ে ২৮ অক্টোবর সকালে ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করে।
দ্বিতীয় লঘুচাপটি ২৯ অক্টোবর আন্দামান সাগরে তৈরি হয় এবং ৩১ অক্টোবর দুপুর নাগাদ নিম্নচাপে পরিণত হয়। এসবের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়, সঙ্গে বজ্রসহ দমকা হাওয়া।
মাসের সর্বোচ্চ দৈনিক বৃষ্টি হয় সিলেটের শ্রীমঙ্গলে, ২ অক্টোবর ৬৪ মিলিমিটার। ১২ থেকে ১৪ অক্টোবর এবং ২২ ও ২৬ থেকে ২৮ অক্টোবর দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যায়।
মাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয় সিলেটে, ১৭ অক্টোবর; সর্বনিম্ন ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি তেঁতুলিয়ায়, ২৭ অক্টোবর। অক্টোবরে দেশের সর্বোচ্চ, সর্বনিম্ন ও গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে যথাক্রমে ১ দশমিক ৮, শূন্য দশমিক ৪ ও ১ দশমিক ১ ডিগ্রি বেশি ছিল।
আমন ধান কাটার এই সময়ে এবং রবি মৌসুমের শুরুতে কম বৃষ্টি ও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা মাটির আর্দ্রতা ও সেচের হিসাবে প্রভাব ফেলে; আবহাওয়া অধিদপ্তরের মাসিক এই হিসাব কৃষকদের কাছে তাই গুরুত্বপূর্ণ।
ছবি: Wasiul Bahar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)