ফল২০ শতক থেকে সাড়ে ৩ একর: রাজবাড়ীর প্রকৌশলী খায়রুলের ড্রাগন-খেজুরের বাগান
রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুরে সিভিল প্রকৌশলী খায়রুল আলমের মিশ্র বাগানে বছরে ২০-৩০ টন ড্রাগন হয়; খামারের গোবরের জৈব সারে চাষ, কাজ পেয়েছেন ৭-৮ জন।
ফলরাজবাড়ী সদরের বসন্তপুরে সিভিল প্রকৌশলী খায়রুল আলমের মিশ্র বাগানে বছরে ২০-৩০ টন ড্রাগন হয়; খামারের গোবরের জৈব সারে চাষ, কাজ পেয়েছেন ৭-৮ জন।
ফলঝিনাইদহের মহেশপুরের গৌরীনাথপুর বাজার এখন ড্রাগন ফলের রাজধানী নামে পরিচিত; মৌসুমের এ সময়ে শতাধিক আড়তে প্রতিদিন কোটি টাকার ফল বিক্রি হচ্ছে, যাচ্ছে দেশের নানা প্রান্তে।
প্রবীণ চাষি ও বাংলাদেশ ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সংগঠক হারুনুর রশিদ মুসা ৩৩ শতাংশের পলিহাউসে অসময়ের সবজি আর আনারকলি, অ্যাভোকাডো ও ড্রাগন চাষ করছেন; ড্রাগন সংকট কাটাতে হরমোনে নজরদারি, কৃষক ব্যাংক ও জৈব সারের প্রস্তাব দিয়েছেন।
ফলরাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।
পরিবেশগাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার ড্রাগন বাগানে পাকা ফল খেতে দেখা এক জোড়া কোকিলের কথা লিখেছেন পাখি ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. আ ন ম আমিনুর রহমান; কক্সবাজারের দরিয়ানগরে এ পাখির নাম কাকসায়ের।
ছাদকৃষিচাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে বাড়ির ১,৪০০ বর্গফুট ছাদে ও সাড়ে ৬ শতক আঙিনায় ২০২৪ সালে ড্রাগন লাগিয়েছিলেন ৬২ বছরের আবু হানিফ; এখন বছরে লাখ টাকার বেশি লাভ করছেন, এবার ইজারা নিয়েছেন আরও ৬০ শতক জমি।
ফলবিশ্বে ড্রাগন ফলের চাহিদা বাড়লেও দক্ষিণ আফ্রিকার চাষিরা বেশি প্রাথমিক খরচ, আগ্রাসী প্রজাতির অনুমতিপত্র, ভেজা গ্রীষ্ম এবং স্বাদহীন ফলে অভ্যস্ত ক্রেতাদের নিয়ে সমস্যায় আছেন।
২০২৪ সালে ১২ লাখ টাকা বিনিয়োগে গড়া বাগানে থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক জাত; কীটনাশক ছাড়া চাষ, ফুল আসার ২৫-২৬ দিনে ফল; চা-শ্রমিকেরা বাড়তি কাজ ও বিনামূল্যে ফল পাচ্ছেন, বলছেন ম্যানেজার শামীম ইসলাম ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন।
২০২৪ সালে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু; দ্বিতীয় বছরেই ফলন, থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক জাতের ফল জৈব পদ্ধতিতে ফলিয়ে রপ্তানির পরিকল্পনা করছে বাগান কর্তৃপক্ষ।
ফল২০২৬ সালের ৩০ জুলাই জাগো নিউজ ২৪ পাকা ড্রাগন ফল, ঠান্ডা দুধ, চিনি বা মধু আর বরফ কুচি দিয়ে এক-দুই মিনিটে ব্লেন্ড করে ড্রাগন ফলের মিল্কশেক তৈরির একটি সহজ রেসিপি প্রকাশ করে।
ফল২০২৬ সালের জুনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যায়, দেশে প্রায় ৩৪ প্রজাতির বিদেশি ফল চাষ হচ্ছিল এবং এর ডজনখানেক বাণিজ্যিক সাফল্য পেয়েছিল। সবচেয়ে এগিয়ে ছিল ড্রাগন ও মাল্টা; দেশে উৎপাদিত ড্রাগন ফল সুইডেনে রপ্তানিও হয়েছিল।
ফলএকসময় দুর্লভ ও দামি ড্রাগন, স্ট্রবেরি, রামবুটান ও অ্যাভোকাডো দেশেই চাষ হওয়ায় ২০২৬ সালের জুনে এগুলো সহজলভ্য ও তুলনামূলক সস্তা; কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ড্রাগনের উৎপাদন ছিল ৭৮ হাজার ৭৪৯ টন।
হৃদয়ে মাটি ও মানুষবাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জের উদ্যোক্তা মো. মনিরুজ্জামান ড্রাগন ফল চাষে তৈরি করেছেন নতুন দৃষ্টান্ত। প্রায় ৪২ বিঘা জমি জুড়ে বিস্তৃত এই বাগানটি শুধুমাত্র বিনিয়োগ নয়, কৃষির প্রতি তার একান্ত বিশ্বাস ও সাহসিকতার প্রতিফলন। বিদেশে প্রথমবার ড্রাগন ফল খাওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশে ফিরে তিনি শুরু করেন বৃ