সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৩ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

চা চাষের অনুপযোগী এক একরে ১৪ হাজার ড্রাগনগাছ: কুলাউড়ার সিরাজনগর চা-বাগানে দ্বিতীয় বছরেই ১২ লাখ টাকার ফল বিক্রি

২০২৪ সালে ১২ লাখ টাকা বিনিয়োগে গড়া বাগানে থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক জাত; কীটনাশক ছাড়া চাষ, ফুল আসার ২৫-২৬ দিনে ফল; চা-শ্রমিকেরা বাড়তি কাজ ও বিনামূল্যে ফল পাচ্ছেন, বলছেন ম্যানেজার শামীম ইসলাম ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় চা চাষের অনুপযোগী পতিত জমিতে বাণিজ্যিক ড্রাগন ফলের বাগান করে সাফল্য পেয়েছে সিরাজনগর চা-বাগান কর্তৃপক্ষ। চা-প্লান্টেশনের বাইরের প্রায় এক একর (এক হেক্টরের কাছাকাছি) জমিতে থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক জাতের প্রায় ১৪ হাজার ড্রাগনগাছে এখন প্রচুর ফল।

২০২৪ সালে মাত্র ১২ লাখ টাকা বিনিয়োগে বাগানটি গড়া হয়; দ্বিতীয় বছর থেকেই ফলন আসতে শুরু করেছে এবং চলতি মৌসুমে এরই মধ্যে প্রায় ১২ লাখ টাকার ফল বিক্রি হয়েছে, মৌসুম শেষে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা কর্তৃপক্ষের। শ্রমিকেরা জানান, ফুল আসার ২৫-২৬ দিনের মধ্যেই ফল সংগ্রহের উপযোগী হয়, তাই একই জমি থেকে পর্যায়ক্রমে ফল তোলা যায়।

বাগানের ম্যানেজার শামীম ইসলাম বলেন, প্লান্টেশনের বাইরের পতিত ভূমিতে শ্রীবৃদ্ধির জন্য ড্রাগন লাগানো হয়েছিল, এখন তার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে; বাগানে কোনো কীটনাশক ব্যবহার হয় না, জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত ফল নিরাপদ। চা-শ্রমিকেরা নিয়মিত কাজের পাশাপাশি ড্রাগনবাগানে পরিচর্যা, ফুলের যত্ন, আগাছা পরিষ্কার ও ফল সংগ্রহে যুক্ত থেকে বাড়তি আয় করছেন এবং উৎপাদিত ফল বিনামূল্যে পাচ্ছেন।

চা-শ্রমিক জোসনা পাশি বলেন, ভালো মানের ড্রাগন এখন বাগান থেকেই বিনামূল্যে নিতে পারছেন, পরিবারের সবাই খাচ্ছেন। কুলাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জসীম উদ্দিনের ভাষ্য, চা চাষের অনুপযোগী পতিত জমি আর পড়ে থাকছে না; পরিকল্পিতভাবে উৎপাদনের আওতায় আনা এসব বাগান চা-বাগানগুলোর বাড়তি আয়ের পথ খুলছে এবং শ্রমিকদের পুষ্টিতে ভূমিকা রাখছে।

কৃষি সময়ের মৌলভীবাজার সংবাদদাতার প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

জলে ডোবা ধানখেতে পানিফল চাষে লাভ দেখছেন তমলুকের চাষিরা

নিম্নচাপ আর অতিবৃষ্টিতে জমিতে জল জমে ধান পচে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের তমলুক ব্লকের চাষিরা পানিফল চাষে ঝুঁকেছেন; প্রতি কাঠায় এক থেকে দেড় কুইন্টাল ফলন, কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

এই সময়৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফুল

শীতের বাগানের জন্য নার্সারিতে সুস্থ চারা চেনার পাঁচ উপায়

নার্সারি থেকে আনা চারা কয়েক দিনেই নেতিয়ে পড়ার বড় কারণ দুর্বল চারা বাছাই; কেনার আগে পাতা, গোড়া, শিকড়, বয়স ও উচ্চতা দেখে নিতে হবে এবং শুধু ফুল দেখে চারা কেনা ঠিক নয়।

জাগো নিউজ ২৪৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

এগোয়া হারালে মার্কিন বাজার বন্ধ নয়, তবে বাড়বে দক্ষিণ আফ্রিকার ফলের শুল্ক

যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ আফ্রিকাকে এগোয়া থেকে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার পর অর্থনীতিবিদ ওয়ান্ডিলে সিহলোবো হিসাব দিয়েছেন, ২০২৫ সালে ৫০ কোটি ৪০ লাখ ডলারের কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মার্কিন শুল্ক গড়ে প্রায় ৩.৪ শতাংশীয় পয়েন্ট বাড়বে।

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)