সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস কিমি/ঘ

চা চাষের অনুপযোগী এক একরে ১৪ হাজার ড্রাগনগাছ: কুলাউড়ার সিরাজনগর চা-বাগানে দ্বিতীয় বছরেই ১২ লাখ টাকার ফল বিক্রি

২০২৪ সালে ১২ লাখ টাকা বিনিয়োগে গড়া বাগানে থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক জাত; কীটনাশক ছাড়া চাষ, ফুল আসার ২৫–২৬ দিনে ফল; চা-শ্রমিকেরা বাড়তি কাজ ও বিনামূল্যে ফল পাচ্ছেন, বলছেন ম্যানেজার শামীম ইসলাম ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন।

ফল

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় চা চাষের অনুপযোগী পতিত জমিতে বাণিজ্যিক ড্রাগন ফলের বাগান করে সাফল্য পেয়েছে সিরাজনগর চা-বাগান কর্তৃপক্ষ। চা-প্লান্টেশনের বাইরের প্রায় এক একর (এক হেক্টরের কাছাকাছি) জমিতে থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক জাতের প্রায় ১৪ হাজার ড্রাগনগাছে এখন প্রচুর ফল।

২০২৪ সালে মাত্র ১২ লাখ টাকা বিনিয়োগে বাগানটি গড়া হয়; দ্বিতীয় বছর থেকেই ফলন আসতে শুরু করেছে এবং চলতি মৌসুমে এরই মধ্যে প্রায় ১২ লাখ টাকার ফল বিক্রি হয়েছে, মৌসুম শেষে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা কর্তৃপক্ষের। শ্রমিকেরা জানান, ফুল আসার ২৫–২৬ দিনের মধ্যেই ফল সংগ্রহের উপযোগী হয়, তাই একই জমি থেকে পর্যায়ক্রমে ফল তোলা যায়।

বাগানের ম্যানেজার শামীম ইসলাম বলেন, প্লান্টেশনের বাইরের পতিত ভূমিতে শ্রীবৃদ্ধির জন্য ড্রাগন লাগানো হয়েছিল, এখন তার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে; বাগানে কোনো কীটনাশক ব্যবহার হয় না, জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত ফল নিরাপদ। চা-শ্রমিকেরা নিয়মিত কাজের পাশাপাশি ড্রাগনবাগানে পরিচর্যা, ফুলের যত্ন, আগাছা পরিষ্কার ও ফল সংগ্রহে যুক্ত থেকে বাড়তি আয় করছেন এবং উৎপাদিত ফল বিনামূল্যে পাচ্ছেন।

চা-শ্রমিক জোসনা পাশি বলেন, ভালো মানের ড্রাগন এখন বাগান থেকেই বিনামূল্যে নিতে পারছেন, পরিবারের সবাই খাচ্ছেন। কুলাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জসীম উদ্দিনের ভাষ্য, চা চাষের অনুপযোগী পতিত জমি আর পড়ে থাকছে না; পরিকল্পিতভাবে উৎপাদনের আওতায় আনা এসব বাগান চা-বাগানগুলোর বাড়তি আয়ের পথ খুলছে এবং শ্রমিকদের পুষ্টিতে ভূমিকা রাখছে।

কৃষি সময়ের মৌলভীবাজার সংবাদদাতার প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

দুর্গাপুরের পরিত্যক্ত কয়লার ডিপোতে ৫০০ মাল্টাগাছ: এক একরের বাগানে এবার ৬–৭ লাখ টাকা বিক্রির আশা তিন উদ্যোক্তার

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০২১ সালে বারি-৩ ও ভিয়েতনামি জাতের মাল্টা লাগান রনি মিত্রেরা; বিনিয়োগ প্রায় ১০ লাখ টাকা, গত বছর সাড়ে ৩ লাখ টাকার ফল বিক্রি, এবার দ্বিগুণের সম্ভাবনা; বাগানে কেজি ৮০–১০০ টাকায় কিনছেন পাইকারেরা।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

সিরাজগঞ্জে ৪০০ হেক্টরের লক্ষ্য ছাড়িয়ে পেয়ারা, বাগান থেকেই পাইকারি ৪০–৪৫ টাকা কেজি: থাই ও কাজী জাতে দ্বিগুণ লাভের আশা

রায়গঞ্জ, কাজীপুর, বেলকুচি, উল্লাপাড়া ও সদরে বাম্পার ফলন; যমুনার চরেও বাগান বাড়ছে; এক বাগানে দিনে ৫–৭ শ্রমিক, চারা লাগানোর ছয় মাসে ফল, পাঁচ বছর ফল দেয়—জানালেন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মাওলা।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

সাপাহারে ৭৫ বিঘার বাগানে এখনো গৌরমতি ও কাটিমন আম, ৬৩ লাখ টাকার অসময়ের বিক্রির আশা সোহেল রানার

নওগাঁর সাপাহারে বরেন্দ্র এগ্রোর বাগানে ১,৮০০ গাছে গৌরমতি ও ১,৭০০ গাছে বারোমাসি কাটিমন ঝুলছে; মৌসুমি আমে এ বছর কোটি টাকার বেশি বিক্রির পর ৪০০ মণ গৌরমতি ৮ হাজার ও ৪৫০ মণ কাটিমন ৭ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রির প্রত্যাশা; ১০ যুবকের দৈনিক ৬০০ টাকার কাজ।

বাসস১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()