নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় দীর্ঘদিন পড়ে থাকা একটি কয়লার ডিপোকে মাল্টাবাগানে বদলে দিয়েছেন তিন উদ্যোক্তা। কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০২১ সালে এক একর পতিত কয়লার স্তূপে দুই ধাপে বারি-৩ ও ভিয়েতনামি জাতের ৫০০ মাল্টাগাছ লাগান তাঁরা; এখন প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় ফল ধরেছে, সাথি ফসল হিসেবে আছে লেবু ও বরইগাছ।
বাগানে এ পর্যন্ত বিনিয়োগ প্রায় ১০ লাখ টাকা। চলতি মৌসুমে পরিচর্যায় ২ লাখ টাকা খরচ হলেও ফলন ভালো হওয়ায় বিক্রি ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা উদ্যোক্তাদের। দুর্গাপুর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আজিজুর রহমান জানান, গত বছর প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকার ফল বিক্রি হয়েছিল, এবার তা দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা।
উদ্যোক্তা রনি মিত্র বলেন, তাঁদের বারি-৩ ও ভিয়েতনামি মাল্টা রসালো ও সুস্বাদু; বাগানটি চীনামাটির বিজয়পুর পর্যটন এলাকার কাছে হওয়ায় পর্যটকেরা সরাসরি গাছ থেকে ফল ছিঁড়ে খাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। বিভিন্ন জেলার বড় পাইকারেরা যোগাযোগ করলেও আগে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর কথা বলছেন তিনি।
নাজিরপুর থেকে আসা পাইকার মিলন মিয়া দুই বছর ধরে এই বাগান থেকে মাল্টা নিচ্ছেন; কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় কিনে খুচরা বাজারে ১০–১৫ টাকা বেশিতে বিক্রি করেন তিনি। কৃষি কর্মকর্তা আজিজুর রহমানের ভাষ্য, এই সাফল্য দেখে এলাকার আরও অনেকে নতুন করে মাল্টা চাষে আসছেন।
কৃষি সময়ের নেত্রকোণা সংবাদদাতার প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)