সিরাজগঞ্জের উঁচু ও পতিত জমিতে পেয়ারা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। কৃষি বিভাগের হিসাবে জেলার ৯ উপজেলায় প্রায় ৪০০ হেক্টরে পেয়ারাবাগানের লক্ষ্য ধরা হলেও চাষিরা তার চেয়ে বেশি জমিতে বাগান করেছেন; রায়গঞ্জ, কাজীপুর, বেলকুচি, উল্লাপাড়া ও সদর উপজেলায় বাম্পার ফলন হয়েছে, যমুনার চরাঞ্চলেও চাষ বাড়ছে।
চাষ হচ্ছে থাই, কাজী ও বারি-১, ২ ও ৩ জাত, তবে থাই ও কাজীই বেশি। রাজশাহী ও নাটোর থেকে চারা এনে প্রতিবছর ডিসেম্বরের মধ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি বাগান লাগানো হয়; বারোমাসি চাহিদা থাকায় হাইব্রিড জাত সারা বছরই চাষ হয়। উঁচু, দোআঁশ ও বালুযুক্ত মাটিতে বাগান ভালো হয়।
বেলকুচির সুবর্ণসড়া গ্রামের ইদ্রিস আলী বলেন, তাঁর বাগানে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ জন শ্রমিক কাজ করছেন; এবার পাইকারি বাজারে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজিতে বিক্রি শুরু হয়েছে এবং খরচ বাদে প্রায় দ্বিগুণ লাভের আশা করছেন তিনি। সদরের দত্তবাড়ী গ্রামের রেজাউল করিম (৫০) নিজের ১০ শতাংশ জমিতে থাই পেয়ারা করে ফলন ও দামে লাভবান।
চাষি শাহিন আলম ও সোবহান জানান, প্রায় ২ গজ পরপর বাঁশ, সিমেন্টের খুঁটি ও জিআই তারে কাঠামো বানিয়ে চারা লাগাতে হয়; ছয় মাস পর থেকে ফুল-ফল আসে, ফল ১০ গ্রাম হলেই পশুপাখি থেকে বাঁচাতে পলিথিন পরানো হয়, আর একটি বাগান থেকে প্রায় পাঁচ বছর ফল মেলে। সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মাওলা বলেন, ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় চাষিরা পেয়ারায় আরও উৎসাহী হচ্ছেন; মাঠপর্যায়ে সব ধরনের সহায়তা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কৃষি সময়ের সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতার প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)