ফসলAEZ-০৬: নিম্ন পুনর্ভবা প্লাবনভূমি
নওগাঁর পশ্চিম প্রান্ত ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের উত্তরাংশে ছড়ানো নিম্ন পুনর্ভবা প্লাবনভূমি, ভারী অম্লীয় কাদামাটি, নিচু অববাহিকা ও মৌসুমি বন্যার এই ছোট কৃষি অঞ্চল কেন অঞ্চলভিত্তিক গড় নয়, মাঠভিত্তিক তথ্যের দাবি রাখে।
ফসলনওগাঁর পশ্চিম প্রান্ত ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের উত্তরাংশে ছড়ানো নিম্ন পুনর্ভবা প্লাবনভূমি, ভারী অম্লীয় কাদামাটি, নিচু অববাহিকা ও মৌসুমি বন্যার এই ছোট কৃষি অঞ্চল কেন অঞ্চলভিত্তিক গড় নয়, মাঠভিত্তিক তথ্যের দাবি রাখে।
২০১৪ সালে এক হেক্টরেরও কম জমিতে শুরু হওয়া থাই বারোমাসি জাত কাটিমন এখন চার জেলায় ৪,৭৫৭ হেক্টরে; পুরোনো গাছে গ্রাফটিং করে অসময়ে আম ফলিয়ে কৃষকেরা মৌসুমের চেয়ে তিন থেকে দশ গুণ দাম পাচ্ছেন।
পানি কমার সঙ্গে স্রোত বাড়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের নামোজগন্নাথপুর ও বাদশাহপাড়ায় তিন দিনে অন্তত সাড়ে তিনশ বসতবাড়ি ও শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীতে গেছে; ৭৪৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ পানি কমলে শুরু হবে বলছে পাউবো।
পরিবেশএশিয়ার কসাই পাখিদের মধ্যে ক্ষুদ্রতম বে-ব্যাকড শ্রাইক বা ছোট লাটোরা বাংলাদেশের বিরল আবাসিক পাখি; চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাবুডাইংয়ে এর বাসা ও ছানার দেখা পাওয়ার অভিজ্ঞতা লিখেছেন পাখিবিশেষজ্ঞ আ ন ম আমিনুর রহমান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে আশ্বিনা ৮০-১০০, বারি-৪ ১৫০-১৮০, গৌড়মতি ১৬০-১৮০, কাটিমন ১৭০-১৮০ ও ব্যানানা ম্যাঙ্গো ১৮০-২০০ টাকা কেজি; শিবগঞ্জের চাষি গোলাম মোস্তফা কাটিমনের ডাল গ্রাফটিং করা গাছে আগস্টে খিরসাপাত ধরিয়ে ৮০ হাজার টাকার আম বেচেছেন, গবেষণা কেন্দ্র বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।
আমের রাজা হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম। যা দেশের বাজার ছড়িয়ে বিশ্বের বাজারে স্থান পেয়েছে বহুবার। তবে এ আমের ফলন পাওয়া যেত শুধু মৌসুমেই। অর্থাৎ খিরসাপাত (হিমসাগর) আম মানেই ছিল জ্যৈষ্ঠের স্বাদ। তবে প্রথা ভেঙে আমের মৌসুম শেষেও এখন বাজারে মিলছে এই সুস্বাদু আম। কিন্তু কীভাবে, সেই প্রশ্নের উ
আমের রাজধানীখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ফজলি আম একসময় ছিল এ অঞ্চলের গর্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক। কিন্তু এখন সেই ফজলি আম চাষই প্রান্তিক চাষিদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফ্রুট ফ্লাই বা আমের মাছি পোকার ভয়াবহ আক্রমণে গাছে থাকা আম পচে ঝরে পড়ছে, কমছে ফলন, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়। চাষি ও স
রোগ-পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে আম রক্ষা ও রপ্তানিযোগ্য মান নিশ্চিত করতে গত কয়েক বছরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি। কিন্তু চলতি মৌসুমে সেই ফ্রুট ব্যাগই অনেক আমচাষির জন্য আশীর্বাদের বদলে অভিশাপে পরিণত হয়েছে।
ফল২০২৬ সালের জুলাইয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের গবেষকেরা জানান, আগস্টে ফলন দেওয়া নতুন নাবি জাত বারি আম-১৯ অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে; চাষিরা ভালো দামের সুযোগ দেখলেও দীর্ঘ মাঠ পরীক্ষা চেয়েছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে দিন দিন অনলাইনে আম বিক্রির প্রবণতা বাড়ছে। বর্তমানে জেলার ৩০ শতাংশেরও বেশি আম অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে যাচ্ছে। ঘরে বসে আম কেনার সুবিধা পাওয়ায় ক্রেতাদের আগ্রহও বাড়ছে।
ফলচলমান আম মৌসুমে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী ও নাটোরের আমের বাজারসংলগ্ন ব্যাংক শাখা ও উপশাখা ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারও সীমিত পরিসরে খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
দেশের আম গবেষণার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান চাঁপাইনবাবগঞ্জের আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রটি ১৯৯০ সালে বর্তমান নামে কার্যক্রম শুরু করে। সময়ের সঙ্গে গবেষণার পরিধি বাড়লেও দীর্ঘ ৩৬ বছরে কেন্দ্রটি মাত্র ১৬টি নতুন আমের জাত উদ্ভাবন করেছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা কার্
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও সুনাম কুড়িয়েছে। তবে সেই আম এখন চাষিদের মুখে হাসির বদলে বাড়াচ্ছে দুশ্চিন্তা। উৎপাদন খরচ বাড়লেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত দাম। চাষি ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহ, মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব, ক্যারেট সংকট এবং পরিবহন ও কুরিয়ার ব্যয় বৃদ্ধির