সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৯%বাতাস কিমি/ঘ

মৌসুম শেষেও কানসাট হাটে ৬ জাতের আম, অসময়ের খিরসাপাত বিকোচ্ছে মণ ২৫ হাজার টাকায়

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে আশ্বিনা ৮০–১০০, বারি-৪ ১৫০–১৮০, গৌড়মতি ১৬০–১৮০, কাটিমন ১৭০–১৮০ ও ব্যানানা ম্যাঙ্গো ১৮০–২০০ টাকা কেজি; শিবগঞ্জের চাষি গোলাম মোস্তফা কাটিমনের ডাল গ্রাফটিং করা গাছে আগস্টে খিরসাপাত ধরিয়ে ৮০ হাজার টাকার আম বেচেছেন—গবেষণা কেন্দ্র বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।

ফল

আমের মৌসুম শেষ হলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কানসাট আম বাজারে ব্যস্ততা কমেনি। মৌসুমি আমের সরবরাহ কমে এলেও নাবি ও বারোমাসি জাতে জেলার বৃহত্তম এই বাজার এখনো জমজমাট—আশ্বিনা, বারি-৪, গৌড়মতি, কাটিমন, ব্যানানা ম্যাঙ্গো ও খিরসাপাত নিয়ে প্রতিদিনই আসছেন চাষিরা।

বর্তমানে কানসাটে আশ্বিনা কেজি ৮০–১০০ টাকা, বারি-৪ ১৫০–১৮০, গৌড়মতি ১৬০–১৮০, কাটিমন ১৭০–১৮০ ও ব্যানানা ম্যাঙ্গো ১৮০–২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; পাইকারিতে মণ হিসেবে দাম কিছুটা কম। মৌসুমের শেষে কাটিমন মণ ৬–৮ হাজার টাকা, বারি-৪ প্রায় ৭–৮ হাজার ও ব্যানানা ম্যাঙ্গো প্রায় ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়ায় চাষি আশরাফুল ইসলাম ও আবদুস সালাম দামকে উৎপাদন ব্যয়ের তুলনায় সন্তোষজনক বলছেন।

মৌসুম শেষের এই ব্যস্ততার মধ্যে নতুন সম্ভাবনা হয়ে এসেছে অসময়ের খিরসাপাত বা হিমসাগর। সাধারণত মে মাসে বাজারে আসা জিআই স্বীকৃত এই আম এবার আগস্টেও গাছে ধরিয়ে পরীক্ষামূলক সাফল্য পেয়েছেন শিবগঞ্জের কয়েকজন চাষি। কয়েকটি বাগানে এখনো খিরসাপাত ঝুলছে এবং ক্রেতারা বাগান থেকেই মণ ২০–২৫ হাজার টাকায় কিনতে আগ্রহী।

আড়গাড়া গ্রামের আমচাষি গোলাম মোস্তফা জানান, মৌসুমি আমে প্রত্যাশিত লাভ না পেয়ে তিনি কাটিমন ও গৌড়মতি চাষ শুরু করেন এবং খিরসাপাতের গাছে জাত বদলাতে কাটিমনের ডাল গ্রাফটিং করেন। কলম করা ডালে কাটিমন ধরলেও পুরোনো গাছের অংশে মুকুল আসে; পরিচর্যায় সেখানেই মৌসুমের বাইরে খিরসাপাত ধরে। প্রায় ২৫ হাজার টাকা মণে তিনি এরই মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার টাকার আম বিক্রি করেছেন, দুই সপ্তাহ পর শেষ দফা আসবে। পদ্ধতিটি এখনো পরীক্ষামূলক; বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই করে বাণিজ্যিক পর্যায়ে নেওয়া গেলে আম চাষে নতুন দুয়ার খুলতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শরফ উদ্দিন বলেন, খিরসাপাতের দেশি-বিদেশি চাহিদা থাকলেও মৌসুমের শুরুতে একসঙ্গে বিপুল আম নামায় চাষিরা অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত দাম পান না; মৌসুমের বাইরে খিরসাপাত ধরানোর ঘটনা আগে তাঁদের জানা ছিল না, বিষয়টি নিয়ে তাঁরা কাজ করবেন।

বাংলা ট্রিবিউনের রাজশাহী প্রতিনিধি দুলাল আবদুল্লাহর প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

বাংলা ট্রিবিউনদা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

সাপাহারে ৭৫ বিঘার বাগানে এখনো গৌরমতি ও কাটিমন আম, ৬৩ লাখ টাকার অসময়ের বিক্রির আশা সোহেল রানার

নওগাঁর সাপাহারে বরেন্দ্র এগ্রোর বাগানে ১,৮০০ গাছে গৌরমতি ও ১,৭০০ গাছে বারোমাসি কাটিমন ঝুলছে; মৌসুমি আমে এ বছর কোটি টাকার বেশি বিক্রির পর ৪০০ মণ গৌরমতি ৮ হাজার ও ৪৫০ মণ কাটিমন ৭ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রির প্রত্যাশা; ১০ যুবকের দৈনিক ৬০০ টাকার কাজ।

বাসস১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

ছয় বছরের স্ট্যাকাটো চেরি পেটেন্ট মামলায় মনসন ফ্রুটের সঙ্গে সমঝোতা কানাডার

ওয়াশিংটনের প্যাকারটি অতীত ও ভবিষ্যতের রয়্যালটি দেবে, ২০২৯ পর্যন্ত জাতটির চারা বানাতে ও ২০৩২ পর্যন্ত ফল রপ্তানি করতে পারবে না; বিচারক আগেই রায় দিয়েছিলেন, এক চাষির পেটেন্ট করা 'গ্লোরি' জাত ভুলক্রমে তাঁর কাছে পৌঁছানো কানাডার উদ্ভাবিত স্ট্যাকাটো গাছ থেকে জিনগতভাবে অভিন্ন।

Capital Press১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

পাহাড়ে কাজুবাদাম, কফি ও মসলা চাষের সুযোগ বিশাল: পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

ঢাকার সবুজায়ন নিয়ে এক আলোচনা সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বলেছেন, গাছ লাগানোর আগে প্রজাতি বাছাই জরুরি এবং পাহাড়ে কলা-পেঁপের বাইরে উচ্চমূল্যের ফসল ও ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলে প্রান্তিক মানুষের জীবনমান বদলাতে পারে।

বাংলা নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()