হাটে ২০ মণের ‘শান্ত’, ৬ লাখে বিক্রির আশা ব্যাপারীর
দুপুর ১টা। রাজধানীর ঐহিত্যবাহী ফুটবল ক্লাব রহমতগঞ্জ পশুর হাটে একটি গরুর সামনে কৌতূহলী মানুষের ভিড়। সাদা-কালো রঙের বিশালদেহী গরুটি গামছা ভিজিয়ে শরীর মুছে দিচ্ছিলেন ব্যাপারী। আশপাশ
দুপুর ১টা। রাজধানীর ঐহিত্যবাহী ফুটবল ক্লাব রহমতগঞ্জ পশুর হাটে একটি গরুর সামনে কৌতূহলী মানুষের ভিড়। সাদা-কালো রঙের বিশালদেহী গরুটি গামছা ভিজিয়ে শরীর মুছে দিচ্ছিলেন ব্যাপারী। আশপাশ
কোরবানি উপলক্ষে একটু বেশি লাভের আশায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানীর হাটগুলোতে পশু নিয়ে আসেন খামারি, ব্যাপারী ও গৃহস্থরা। গত কয়েকদিন তেমন বেচাবিক্রি না হলেও এখন শেষ মুহূর্তে
বগুড়ার ধুনট উপজেলার উল্লাপাড়া গ্রামের হায়দার আলী এবং তার আরও দুজন অংশীদার মিলে ৯৬ হাজার টাকা দিয়ে একটি কোরবানির গরু কিনেছেন। কসাইসহ অভিজ্ঞরা বলছেন, গরুটির নিট মাংস হবে ৬ মণ। তা
দিন গড়ালেই পবিত্র ঈদুল আজহা। আর কোরবানির এই ঈদকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতেও সরগরম রাজধানীর পশুর হাট। সেখানে ক্রেতাদের আনাগোনা যেমন আছে তেমনি বিক্রেতাদের হাঁকডাকেও মুখর। মাইকে চলছে নানা
ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি। এই মুহূর্তে গরুর হাটে গরু নেই, তাই কদর বেড়েছে ছাগলের। গত কয়েকদিনের কোরবানির হাটের বাজার মূল্যের তুলনায় আজ (৩১ জুলাই) রাজধানীর প্রায় সকল হাটে গরুর দাম
একদিন পরই ঈদুল আজহা। ঈদকে কেন্দ্র করে কোরবানির জন্য পছন্দের পশু কিনতে শেষ মুহূর্তে হাটগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। চলছে জমজমাট বেচাকেনা। তবে চাহিদার তুলনায় গরু কম থাকায় বেশ চড়া দ
করোনা ও বন্যার কারণে অর্থনৈতিক চাপে পড়েছে দেশের অধিকাংশ মানুষ। এর মাঝে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঈদুল আজহা। করোনায় একদিকে মানুষ কোরবানি দেয়ার সক্ষমতা হারিয়েছে। অন্যদিকে বন্যার কারণে আর্থি
‘ছাগলের কাস্টমার আসছে না আবার আসলেও দাম বলছে না’ এমন অভিযোগ দিনাজপুর থেকে আসা ফিরোজের।
‘হায়রে কপাল! হাতির মতো এত বড় গরুটার দামই কেউ মুলায় না (দাম বলে না)।’ পুরান ঢাকার ঐহিত্যবাহী রহমতগঞ্জ ফুটবল ক্লাব মাঠে কোরবানির পশুর হাটে আনুমানিক ২০ মণ ওজনের বিশাল আকারের গরু ‘শ
পবিত্র রমজান মাসে দুগ্ধ খামারিরা কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। কারণ রমজান মাস উপলক্ষে অনেক গ্রাহকই দুধ কিনছেন। ফলে কয়েকদিন আগেও যে দুধ ১০-১৫ লিটার বিক্রি করেছেন, সেই দুধ এখন ৪০ থে
গাভীর দুধ উৎপাদনের পরিমাণ ও গুণগতমান জাতের ওপর নির্ভর করে। দেশীয় জাতের গাভীর দুধে মাখনের পরিমাণ বেশি থাকে কিন্তু এরা দুধ উৎপাদন করে কম। বিদেশি জাতের গাভী দেশীয় জাতের গাভী থেকে বে
আমাদের গৃহপালিত বা খামারের গবাদি পশুর মাঝে মাঝে বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি দেখা দেয়। এতে গবাদি পশুর উৎপাদন কমে যায়। এসব বিষয়ে সবারই প্রাথমিক জ্ঞান থাকা আবশ্যক। আসুন জেনে নেই গবাদি পশুর