প্রতি পিস লাউ ৭০ টাকা, ফারুকের মুখে হাসি
বছরের ৬ মাস ৪৮ শতাংশ জমিতে লাভজনক সবজি লাউ চাষ করতে খরচ হয় ২০ হাজার টাকা। সেই লাউ বিক্রি করা হচ্ছে দেড় থেকে ২ লাখ টাকা। লাউ বিক্রি করে সংসার পরিচালনা ও সন্তানদের লেখাপড়া চলছে। স
বছরের ৬ মাস ৪৮ শতাংশ জমিতে লাভজনক সবজি লাউ চাষ করতে খরচ হয় ২০ হাজার টাকা। সেই লাউ বিক্রি করা হচ্ছে দেড় থেকে ২ লাখ টাকা। লাউ বিক্রি করে সংসার পরিচালনা ও সন্তানদের লেখাপড়া চলছে। স
লাউ প্রধানত শীতকালীন সবজি হলেও কৃষি বিজ্ঞানীদের কল্যাণে আলোক অসংবেদনশীল উন্নতজাতের উদ্ভাবনের ফলে লাউ এখন সারা বছরই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
দেশের সড়ক-মহাসড়কের দু’ধারে বেশিরভাগ পরিত্যক্ত জায়গা ভরে আছে আগাছায়। অন্যদিকে জনবসতি বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কমছে দেশের কৃষি জমি। তাই দেশের এক ইঞ্চি
আফ্রিকা মহাদেশের বেশির ভাগ মানুষ কাসাভা খেয়ে জীবন ধারণ করে। তবে বাংলাদেশে এখনো এটি নিতান্তই অপরিচিত। গুল্মজাতীয় এ উদ্ভিদটি বাংলাদেশে চাষ না হলেও পাহাড়ে-জঙ্গলে দীর্ঘদিন থেকে এ গা
কখনো কখনো কোল্ড-স্টোরেজ সংকটে পড়ে অনেক আলু নষ্ট হয়ে যায়। তারপর সার, কীটনাশকসহ অন্যান্য উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় চাষের খরচও বেড়ে যায় কয়েকগুণ। তবে খরচ কমিয়ে চাষ করার পদ্ধতিও
ঠাকুরগাঁওয়ে টানা শীত ও কুয়াশার কারণে আলুগাছে ছত্রাকজনিত নাবিধসা (লেট ব্লাইট) রোগ দেখা দিয়েছে। একই কারণে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা
শ্রমিকের মজুরি, বীজ, সার, ওষুধ ও জমির লগ্নিসহ সব মিলিয়ে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তিনি এরইমধ্যে ৭ লাখ টাকার সবজি বিক্রি করেছেন। আরও ৫ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছে
অধিকাংশ খেতের আলু গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে ও গোড়ায় পচন দেখা দিয়েছে। এতে চাষিরা মারাত্মক ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন
রাজ কুমার পাল (৫২) ভ্যান চালিয়েছেন। কখনো মাটিকাটা শ্রমিকের কাজ করেছেন। আবার কখনো পরের জমিতে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। তবু তাঁর সংসারে অভাব লেগেই ছিল। অবশেষে সবজি চাষ করে
উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরই বাবার মৃত্যুতে সাত সদস্যের পরিবারের দায়িত্ব এসে পড়ে আশরাফুল ইসলামের ওপর। সংসার সামলাতে কৃষক বাবার ছেলে আশরাফুলও শুরু করের কৃষিকাজ। প্রথাগত ধান চাষ করতে
‘ধান আবাদোত খালি লস। আলু আবাদও পোষায় না। এই জন্যে চার বছর থাকি মুই সবজির আবাদ করছুং।’ এই কথা রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার চাকলা গ্রামের আলিম উদ্দিনের। সবজি আবাদ করে তিনি লাভের মুখও দে
সরকারি চাকরি ও বিদেশ যাওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে বেকার যুবকরা যদি যুব উন্নয়ন বা অন্য কোনো জায়গা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে সবজি চাষ শুরু করেন তাহলে দেশের বেকার সমস্যা থাকবে না
নানা রঙের, নানা জাতের দেশীয় পাখির সঙ্গে শীতকালে যোগ হয় ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি। তীব্র শীত থেকে বাঁচার জন্য পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ থেকে ছুটে আসে বাংলাদেশের জলাশয়গুলোতে। নির্দিষ্ট ৩-৪ মাস কাটিয়ে আবার তারা ফিরে যায়। শীতের সময়টা দেশের হাওর, বাওর আর জলাশয় মুখরিত থাকে পাখির কিচিরমিচিরে। এ পাখীদের মধ্যে অনিন