সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৬%বাতাস কিমি/ঘ

শীতের অতিথি সুন্দরী খয়রা-কাস্তেচরা কি হারিয়ে যাবে?

নানা রঙের, নানা জাতের দেশীয় পাখির সঙ্গে শীতকালে যোগ হয় ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি। তীব্র শীত থেকে বাঁচার জন্য পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ থেকে ছুটে আসে বাংলাদেশের জলাশয়গুলোতে। নির্দিষ্ট ৩-৪ মাস কাটিয়ে আবার তারা ফিরে যায়। শীতের সময়টা দেশের হাওর, বাওর আর জলাশয় মুখরিত থাকে পাখির কিচিরমিচিরে। এ পাখীদের মধ্যে অনিন

শাকসবজি

নানা রঙের, নানা জাতের দেশীয় পাখির সঙ্গে শীতকালে যোগ হয় ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি। তীব্র শীত থেকে বাঁচার জন্য পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ থেকে ছুটে আসে বাংলাদেশের জলাশয়গুলোতে। নির্দিষ্ট ৩-৪ মাস কাটিয়ে আবার তারা ফিরে যায়। শীতের সময়টা দেশের হাওর, বাওর আর জলাশয় মুখরিত থাকে পাখির কিচিরমিচিরে। এ পাখীদের মধ্যে অনিন্দ্য সুন্দর পরিযায়ী পাখী 'খয়রা-কাস্তেচরা'। বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পাখিবিদ ড. ইনাম আল হক জানান, খয়রা-কাস্তেচরার গায়ের রং অদ্ভুত সুন্দর। লালচে বাদামি শরীর ও উজ্জ্বল বেগুনি ডানা। তবে প্রজনন মৌসুমে এদের গায়ে লাল রং বেগুনির সঙ্গে মিলে অপরূপ এক রঙের সৃষ্টি করে। দেখলে মনে হবে, কোনো শিল্পীর তুলিতে আঁকা ক্যানভাস।

এরা সাধারণত দেশের বিভিন্ন জলাশয় ও হাওরে অবস্থান করে। জলাশয়ের কাদামাটির হাটু পানিতে হেঁটে হেঁটে কাদা থেকে পোকামাকড় ধরে খায়। ওজনে এক কেজির কাছাকাছি এ পাখির দৈর্ঘ্য সাধারণত ৬৫ সেন্টিমিটার। প্রজনন মৌসুম গ্রীষ্মকাল। প্রজনন মৌসুমে সাধারণত ৩টি ডিম দেয়। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটতে ৩ সপ্তাহ সময় লাগে।

এদের পছন্দের খাবার ছোট মাছ, কেঁচো, ছোট সাপ, ব্যাঙ এবং ছোট ছোট জলচর প্রাণি। খাবারের সন্ধানে কাদায় মুখ গুজে থাকে। তবে ডাঙায় তাদের প্রিয় খাবার পোকামাকড় ও টিকটিকি ইত্যাদি। তবে মৌসুম ভেদে তাদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন হয়।

জলজ উদ্ভিদে ভরপুর হাওর বা জলাশয় খাবার এবং বাসস্থানের জন্য তাদের কাছে প্রিয়। শিকার খুঁজতে গিয়ে হাটুজলের বেশি নামে না। এরা কখনো একাকী, কখনো বা ঝাঁকবেঁধে বিচরণ করে। আবার জোড়ায় জোড়ায় ঘুরতেও দেখা যায়। বাংলাদেশে নির্বিচারে পাখি শিকার, জলাশয়ের জলজ উদ্ভিদ নষ্টের কারণে কমে এসেছে এদের সংখ্যা।

পাখী প্রেমিদের দাবি, এয়ারগানের ব্যবহার, বিষটোপ ও জাল দিয়ে পাখি শিকার বন্ধে আইনের প্রয়োগ করতে না পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাখি দেখতে পাবে না। সেই সাথে নষ্ট হবে প্রাকৃতিক ভারসাম্য। বন্যপ্রাণি বা পাখি টিকে থাকতে না পারলে পৃথিবীতে মানুষের টিকে থাকা সম্ভব হবে না।

তাই যত দ্রুত সম্ভব আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে হবে। সেই সঙ্গে অবৈধ জাল এবং এয়ারগান নিষিদ্ধ করতে হবে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

হঠাৎ পানি আর বৃষ্টিতে মুন্সীগঞ্জের ২০ কোটি টাকার সবজি চারার বাজারে ধস, পচছে চারা

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে পঞ্চসারের ১০ হেক্টরে আগস্ট-ডিসেম্বরে ১৫-২০ কোটি টাকার চারা বিক্রি হয়; জমিতে পানি জমায় কৃষকেরা চারা লাগাতে না পারায় ক্রেতা নেই, আর ভারী বৃষ্টিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, টমেটো, বেগুন ও মরিচের চারা নষ্ট হচ্ছে—৩০-৩৫ বছরে এমন মন্দা দেখেননি চাষিরা।

কৃষি সময়২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

২৬ কোটির মিনি কোল্ড স্টোরেজ অকার্যকর: ডিএইর তদন্ত বলছে আর সম্প্রসারণ নয়

ডিএইর তদন্ত দল ২৬টি হিমাগার ঘুরে দেখেছে অধিকাংশ বন্ধ বা খুঁড়িয়ে চলছে, সৌরবিদ্যুতের বদলে গ্রিডে চলায় বিল বাড়ছে, আলুতে ১৫ দিনে অঙ্কুর; দুই প্রকল্পে ১৮০টির জায়গায় ১৫০টি হয়েছে, ৫০টি বিদ্যুৎ-সংযোগহীন; বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নয় বলে সম্প্রসারণ না করার সুপারিশ।

দেশ রূপান্তর২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

পদ্মার পানিতে রাজশাহীর তিন উপজেলায় ৩০৯ হেক্টরের ফসল প্লাবিত, চরের সবজি পচে গেছে

উজানের পানিতে পবা, বাঘা ও গোদাগাড়ীর চরে ৩০৯ দশমিক ৫৯ হেক্টর ফসলি জমি ডুবেছে—সবজি ৪৫, মাষকলাই ৮৫, হলুদ ১০২ হেক্টরসহ; কসবা ও আলিমগঞ্জের কৃষকদের পটোল, শসা, করলা ও আগাম কপি পচে গেছে, কৃষি বিভাগ বলছে আল উঁচু করে প্রায় ৬০ শতাংশ ফসল রক্ষা করা গেছে।

প্রথম আলো২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()