নজর কাড়ছে ডন
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ফরিদপুরের মধুখালীতে সবার দৃষ্টি কাড়ছে ২০ মণ ওজনের ষাঁড় ডন। মধুখালী উপজেলার মেগচামী ইউনিয়নের বসমসী গ্রামের খামারি মো. হালিম শেখ এই ষাঁড়টির মালিক।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ফরিদপুরের মধুখালীতে সবার দৃষ্টি কাড়ছে ২০ মণ ওজনের ষাঁড় ডন। মধুখালী উপজেলার মেগচামী ইউনিয়নের বসমসী গ্রামের খামারি মো. হালিম শেখ এই ষাঁড়টির মালিক।
কালো ও সাদার সংমিশ্রণে প্রকাণ্ডদেহী। হাতির সঙ্গে তুলনা করলে খুব বেশি বেমানান হবে না। গোল মাথায় ছোট শিং। তাতে কী! যে কেউ সামনে গেলেই ভড়কে যাবেন। তবে ছোট শিং দিয়ে কারও দিকে তেড়ে আসে না। গলার ঝুল নেই, তবে লেজ মাটি ছুঁই ছুঁই। বিশাল দুটি কান নেমে গেছে ঘাড়ের কাছে। চলনবলনে রাজার মতো। বিশাল দেহে সাদা কালোর
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় খামারে বেড়ে ওঠা প্রায় ৫৫ মণ ওজনের 'বরিশালের বস'র দাম হাঁকা হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা। আর বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ৩০ মণ ওজনের 'তুফান'র দাম হাঁকা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। এরমধ্যে 'বরিশালের বস'ই জেলার সবচেয়ে বড় গরু বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
নিরাপদ ও সহজ লেনদেন নিশ্চিত করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন ৬টি পশুরহাটে (গাবতলী, বসিলা, আফতাবনগর, ভাটারা, কাওলা ও উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর) ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ উদ্বোধন করা হয়েছে। হাট চলাকালীন এই সেবা পাবেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।
কোরবানি ঈদের বাকি মাত্র পাঁচদিন। ফলে নগরীর একমাত্র স্থায়ী গাবতলী পশুরহাটে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশু। বর্তমানে হাটে কোরবানির পশু কেনার চেয়ে দেখার লোক বেশি। হাটে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ক্রেতার চাহিদা দেশি মাঝারি সাইজের গরুতে। গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় এবার গরুর দামও বাড়তি।
করোনার কারণে গত দুই বছর খুব একটা লাভের মুখ দেখেননি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামের খামারিরা। কিন্তু এ বছরের পরিস্থিতি ভিন্ন। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির হাট বসার একমাস আগে থেকেই এ গ্রামের খামারিদের গরু বিক্রি শুরু হয়েছে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় এ গ্রামে প্রাকৃতিকভাব
বিশাল দেহ। চাল-চলনও বাদশাহর মতো। এজন্য শখ করে নাম রাখা হয়েছে 'সুলতান'। সাড়ে তিন বছর বয়সী 'সুলতান'র ওজন প্রায় ৩৭ মণ। দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। ষাঁড়টি ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রস্তুত করা হয়েছে।
ছোট থেকেই প্রচণ্ড রাগী স্বভাবের। অন্যান্য পশুর চেয়ে সে কিছুটা ভিন্ন। গায়ের রং সাদা-কালো। ষাঁড়টির মালিক শখ করে নাম রেখেছেন 'চিতা'। আসন্ন কোরবানি ঈদে ষাঁড়টি বিক্রি করা হবে। দাম হাঁকানো হচ্ছে দুই লাখ ৭০ হাজার টাকা।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীতে বুধবার (৬ জুলাই) থেকে বসছে কোরবানির পশুর হাট। এরই মধ্যে দেশের নানা প্রান্ত থেকে হাটে আসছে পশু। পাশাপাশি হাটগুলোতে জমে উঠেছে পশুখাদ্যের বাজারও।
শেরপুরে দফায় দফায় বাড়ছে গো-খাদ্যের দাম। একমাসে দুই দফার বন্যায় সপ্তাহের ব্যবধানে ২০-৫০ টাকা দাম বাড়ায় বেকায়দায় পড়েছেন জেলার খামামিরা। অনেক খামারি আগেভাগেই গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন।
কোরবানির পশু পরিবহনের জন্য আগামী ৬-৮ জুলাই পর্যন্ত বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
ধীরে ধীরে জমে উঠছে রাজধানীর পশুর হাটগুলো। ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে হাটে বাড়ছে গরু আর ব্যাপারীদের চাপ। রোববার (৩ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে রাজধানীর আফতাবনগর হাট ঘুরে দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ঘিরে দেশের নানা প্রান্ত থেকে হাটে পশু আসছে। বাঁশের খুঁটি পুঁতে ছামিয়ানা টানিয়ে সারিবদ্ধভাবে পশু রাখছেন ব্যাপারীরা। স্থ
টাঙ্গাইল সা'দত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইতিহাসে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন হামিদা আক্তার। তবে পড়ালেখা শেষে চাকরি নয়, বড় খামারি হওয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি। পাঁচ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের গাভিসহ ষাঁড় গরু লালনপালন করছেন।