সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮১%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

জমে উঠছে কোরবানি পশুখাদ্যের অস্থায়ী বাজার

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীতে বুধবার (৬ জুলাই) থেকে বসছে কোরবানির পশুর হাট। এরই মধ্যে দেশের নানা প্রান্ত থেকে হাটে আসছে পশু। পাশাপাশি হাটগুলোতে জমে উঠেছে পশুখাদ্যের বাজারও।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীতে বুধবার (৬ জুলাই) থেকে বসছে কোরবানির পশুর হাট। এরই মধ্যে দেশের নানা প্রান্ত থেকে হাটে আসছে পশু। পাশাপাশি হাটগুলোতে জমে উঠেছে পশুখাদ্যের বাজারও।

সোমবার (৪ জুলাই) রাজধানীর শাহাজাহানপুর, মেরাদিয়া ও মেরুলবাড্ডা পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, এসব এলাকার আশেপাশে পশুখাদ্যের বিক্রির ভাসমান দোকান বসেছে। অস্থায়ী এসব বিক্রেতার কেউ ঢাকার, আবার কেউবা এসেছেন ঢাকার বাইর থেকে। শিশু, নারী, বৃদ্ধ সবাই এসব পশুখাদ্য ও কোরবানির বিভিন্ন সরঞ্জাম বিক্রি করছেন।

এদিকে, ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার থেকে হাটে পশু বেচাকেনা শুরুর কথা থাকলেও এরই মধ্যে ক্রেতারা হাটে আসতে শুরু করেছেন। মূল হাটে কেনাবেচা না হলেও হাটের পাশে অস্থায়ীভাবে প্রচুর পশু রাখা আছে। এছাড়া পাড়ায়-মহল্লায়ও চোখে পড়ছে কোরবানির পশু। সেই সঙ্গে মহল্লাগুলোতেও পশুখাদ্যের দোকান বসেছে।

অস্থায়ী এসব পশুখাদ্যের বিক্রেতারা জানান, বছরের অন্যান্য সময়ে তারা অন্য পেশায় নিয়োজিত থাকলেও কোরবানির ঈদের সময় তারা এ ব্যবসা করেন। তাতে কয়েকদিনের পরিশ্রমে অনেক ভালো অঙ্কের টাকা আয় করা যায়। হাটে পশু আসা শুরুর পর থেকে কোরবানির দ্বিতীয় দিন পর্যন্ত চলে এ ব্যবসা।

ডিআইটি রোডের পাশে বাঁশের বাজারের ভেতর বসেছে পশুখাদ্যের বাজার। সেখানে সালাম নামের এক বিক্রেতা জানান, সিরাজগঞ্জ, রংপুরসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে গো-খাদ্য সংগ্রহ করেন তিনি। তার দোকানে ছোট আকারের প্রতি গোছা খড় বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। গ্রাম থেকে ৮ থেকে ১০ টাকায় এগুলো সংগ্রহ করে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ বাবদ এ দামে বিক্রি করছেন তিনি।

বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা গেছে, হাটভেদে গমের ভুসি কেজিপ্রতি ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা, চালের কুড়া ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, খুদ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, কুড়া (তুষ) ৩২ থেকে ৩৫ টাকা, মোটা লবণ (খোলা) ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া জাতভেদে কাঁচা ঘাস প্রতি আটি ২০ থেকে ২৫ টাকা ও বিচালি ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মেরুল বাড্ডার হাটে ভ্যানের ওপর কাঁচা ঘাস বিক্রি করছেন জামাল মিয়া। অন্য সময়ে তরকারি বিক্রি করলেও ঈদের এসময় পশুখাদ্য বিক্রি করেন। তিনি বলেন, গত বছরের থেকে এ বছর ঘাসের দাম অনেক বেশি।

শাহাজাহানপুর হাটে পশুখাদ্যের বিক্রেতা এনামুল হোসেন বলেন, গত বছরের থেকে সব খাদ্যের দাম এবার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। আগে যে গমের ভুসি কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা ছিল, সেটা কেজিপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। খেসার ডালের ভুসি ২০ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সব ধরনের পশুখাদ্যের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিপ্রতি বেড়েছে।

পশুরহাটে সিরাজগঞ্জ থেকে আসা নাজের হোসেন বলেন, এমনিতে বাজারে যে পরিমাণ দাম বেড়েছে, তার থেকেও বেশি দামে সব অস্থায়ী দোকানে।

এদিকে, এসব হাটে পশুখাদ্যের পাশাপাশি কোরবানির জন্য পাওয়া যাচ্ছে হোগলার চাটাই ও খাটিয়াও। আকারভেদে প্রতি পিস চাটাই ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা ও খাটিয়া প্রতি পিস ২০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এনএইচ/আরএডি/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

মতামত

ভেটেরিনারি সার্জন নিয়োগে বিশেষ বিসিএসের পক্ষে দুই বিশেষজ্ঞের যুক্তি

ইত্তেফাকে প্রফেসর ড. মো. বাহানুর রহমান ও ডা. আর এস মাহমুদ হাসান লিখেছেন, প্রতি উপজেলায় চারজন ভেটেরিনারি সার্জন ও প্রতি ইউনিয়নে একজন ভেটেরিনারিয়ান নিয়োগের ঘোষণা কাজে লাগাতে তথ্যভিত্তিক জনবল পরিকল্পনা ও বিশেষ বিসিএস দরকার।

ইত্তেফাক১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

ওজন কমানোর ওষুধে বদলাচ্ছে মার্কিন বাজার, চাহিদা বাড়ছে মুরগি আর অল্প পরিমাণ ভালো গরুর মাংসে

কোব্যাংকের অর্থনীতিবিদ ব্রায়ান আর্নেস্ট বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চার পরিবারের একটিতে জিএলপি-১ ওষুধ সেবনকারী আছেন; তাঁরা আমিষবহুল মুরগি আর ছোট পরিমাণের ভালো মানের গরুর মাংস বেশি কিনছেন।

মিশিগান এজি টুডে৩১ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বন্যার আগেই সহায়তা: দক্ষিণ সুদানে এফএও ও ডব্লিউএফপিকে ২১ লাখ পাউন্ড দিল যুক্তরাজ্য

এল নিনোর সম্ভাব্য বন্যা ও খরার আগে জঙ্গলেই, ইউনিটি ও আপার নাইলে আগাম সতর্কতা, নগদ সহায়তা, জীবিকা সুরক্ষা ও ত্রাণসামগ্রী মজুতে এই অর্থ খরচ হবে ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত।

ডব্লিউএফপি৩১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)