সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৪°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮০%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

গো-খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কোরবানির পশুর হাটে

শেরপুরে দফায় দফায় বাড়ছে গো-খাদ্যের দাম। একমাসে দুই দফার বন্যায় সপ্তাহের ব্যবধানে ২০-৫০ টাকা দাম বাড়ায় বেকায়দায় পড়েছেন জেলার খামামিরা। অনেক খামারি আগেভাগেই গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন।

শেরপুরে দফায় দফায় বাড়ছে গো-খাদ্যের দাম। একমাসে দুই দফার বন্যায় সপ্তাহের ব্যবধানে ২০-৫০ টাকা দাম বাড়ায় বেকায়দায় পড়েছেন জেলার খামামিরা। অনেক খামারি আগেভাগেই গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন।

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে শেরপুরে বিপুলসংখ্যক গরু মোটাতাজা করেন খামারিরা। কিন্তু গো-খাদ্যের দাম দিন দিন বেড়েই চলেছে। এজন্য খামারিরা গরুকে খাদ্য দেওয়া কমিয়ে দিয়েছেন। দানাদার খাদ্য খাওয়ানোর পর যে গাভি এক কেজি দুধ দিতো, খাদ্য কমিয়ে দেওয়ায় দুধের উৎপাদন অর্ধেকে নেমেছে। এতে লোকসানে পড়েছেন খামারিরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলায় পাঁচটি উপজেলায় ছোট-বড় প্রায় ২০ হাজার খামার রয়েছে। এসব খামারিদের গরুকে খড় ও ঘাসের পাশাপাশি গমের ভুসি, খেসারির ভুসি, বুটের ভুসি, বুটের খোসাসহ বিভিন্ন ধরনের দানাদার খাদ্য খাওয়ানো হয়। কিন্তু গত ১৫ দিনের ব্যবধানে সবধরনের গো-খাদ্যের দাম কেজিপ্রতি ৫-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। বস্তাপ্রতি বেড়েছে ১৫০-৩০০ টাকা।

গো-খাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে দুধ উৎপাদন ও পশু মোটাতাজাকরণে ব্যয় বেড়েছে কৃষক ও খামারিদের। এতে গবাদি পশুপালনে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় ১৩ হাজার ৬০৬টি মোটাতাজাকরণ খামার, ৫ হাজার ৮৭৭টি দুগ্ধ খামার ও ১৩৮টি মহিষের খামারে ৪ লাখ ৪০ হাজার ৩০১টি গরু, ৫ হাজার ৬৬২টি মহিষ রয়েছে। কোরবানির ঈদে চাহিদার তুলনায় বেশি পশু থাকলেও শেষ সময়ে গো-খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে পশুর দামও চড়া।

দামবৃদ্ধির কারণে ফিড ও আনুষঙ্গিক খাদ্য দিতে না পেরে গরুকে খড় খাওয়াতে হচ্ছে বলে জানান খামারিদের অনেকে। তাদের অভিযোগ, দুধের দাম না বাড়লেও ২৫ কেজির বস্তা ফিডের দাম একমাসে ২০০ টাকা বেড়েছে। সরিষা ও তিলের খৈল, চালের খুদ, চিটাগুড়ের দামও কেজিতে ২ থেকে ৮ টাকা বেড়েছে।

খামারিদের অভিযোগ, দুই থেকে তিনমাস আগে এক লিটার দুধের উৎপাদন খরচ ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। উৎপাদন খরচ বাড়লেও পাইকারি বাজারে দুধের দাম খুব একটা বাড়েনি। বর্তমানে খুচরা বাজারে এক লিটার দুধ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হলেও পাইকারি বাজারে তা ৪৫ থেকে ৫০ টাকা।

ঝিনাইগাতী উপজেলার খামারি রহিম মুন্সি জাগো নিউজকে বলেন, 'এবার গো-খাদ্যের দাম বাড়ার কারণে ঈদের পশুর দামও বাড়ছে। এটা ছাড়া খামারিদের করার কিছুই নেই। নয়তো লোকসান হয়ে যাচ্ছে খামারিদের।'

খামারি জুলফিকার হাসু বলেন, 'একমাসে যেভাবে গো-খাদ্যের দাম বেড়েছে, সে হারে দুধের দাম বাড়েনি। তাতে এমনিতেই লসে পড়ে যাচ্ছি আমরা। অনেকেই দুধ বাজারে বিক্রিই বন্ধ করে দিয়েছেন।'

এ বিষযে শেরপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার কিছুটা অস্থিতিশীল থাকার কারণে দেশের বাজারে গো-খাদ্যের মূল্যে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। এছাড়া বন্যার কারণেও কিছুটা দামের পার্থক্য দেখা দিয়েছে। ঈদ পরবর্তী সময়ে এই বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে।

ইমরান হাসান রাব্বী/এসআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

মোহনগঞ্জের আদর্শনগর হাটে সপ্তাহে ৮-১০ লাখ হাঁসের ডিম, লেনদেন প্রায় কোটি টাকা

নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলের প্রতি মঙ্গলবারের এই হাট থেকে ডিম যায় ঢাকার পাইকারি বাজারে; জেলায় ১,০৭৬টি বাণিজ্যিক হাঁসের খামারে বছরে প্রায় ৪১ কোটি ৭০ লাখ ডিম হয়।

একাত্তর টিভি৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

অস্ট্রেলিয়ার ফিডলটে স্থায়ী ছাদের নিচে এখন প্রায় ৫০ হাজার গবাদিপশু

২০ থেকে ৩০টি বড় ফিডলট স্থায়ী ছাউনিতে বিনিয়োগ করেছে; কয়েক দশক আগে এমন ফিডলট ছিল মাত্র দুই-তিনটি।

Beef Central৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

পাঁচ দফা সুদ বৃদ্ধিতে কুইন্সল্যান্ডের গরু খামারির বছরে বাড়তি ৪০ হাজার ডলার

২০২৬ সালে ১.২৫ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধিতে ৩২ লাখ ডলার ঋণে বার্ষিক সুদ বেড়েছে প্রায় ২২.৫ শতাংশ, যদিও গরুর দাম ২০ বছরের উঁচু স্তরের কাছে।

Beef Central৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)