ধনবাড়ীতে জনপ্রিয় হচ্ছে কলার চাষ
একবার কলা চারা রোপণ করলে একটানা তিন বছর ভালোভাবে ফলন দিতে পারে। যা অন্য কোনো ফসলে সম্ভব হয় না
একবার কলা চারা রোপণ করলে একটানা তিন বছর ভালোভাবে ফলন দিতে পারে। যা অন্য কোনো ফসলে সম্ভব হয় না
ফল২০২০ সালের মার্চের শেষে আমগাছে মুকুল থেকে গুটি আসার সময় জাগো নিউজ ২৪ জানায়, কুয়াশা ও ঝড়, মাটিতে রসের অভাব, হপার পোকা এবং অ্যানথ্রাকনোজ রোগে মুকুল ও গুটি ঝরে যায়; বাগান পরিষ্কার রাখা, সেচ আর সময়মতো স্প্রেতে তা অনেকটা ঠেকানো যায়।
*** দেখতে অনেকটা মাঝারি সাইজের আপেলের মতো*** নুরানি আপেল কুল চাষ দেশে এবারই প্রথম*** ইউটিউব দেখে কাশ্মীরি নুরানি আপেল কুল চাষ*** ১০ মাসের মাথায় দেখতে পেলেন সাফল্য*** প্রতি গাছে ধর
অনাবাদী জমিতে আমলকি চাষ করে সফল হওয়া যায়। আর সেটাই প্রমাণ করে দেখিয়েছেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইনিয়নের মূলগ্রামের আব্দুল হাই শেখ। বাড়ির আঙিনায় বা পতিত জমিতে আমলকি চাষ করে
ভোলায় বর্ষাকালে বেবি তরমুজ চাষ করে সফল হয়েছেন সৌরভ চন্দ্র হাওলাদার। কোন প্রকার পোকার আক্রমণ না থাকায় সফল হয়েছেন তিনি। বাজারে বিক্রি করেও পাচ্ছেন অর্থ। বিভিন্ন রঙের এ তরমুজ দেখত
এগ্রোবিজ২০১৯-২০ মৌসুমে সাতক্ষীরায় ৬৫৪ হেক্টরে কুলের আবাদ বাড়লেও ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে মুকুল ঝরে ফলন কমে যায়; জেলায় ৬ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন কুল থেকে আয় হয় ৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালী তরমুজের জন্য বিখ্যাত। দেশে এখনো তরমুজের জাতের বীজ উৎপাদনের যথাযথ প্রযুক্তি না থাকায় চীন, জাপান, ভিয়েতনাম, ভারত, মালয়েশিয়া থেকে বীজ আমদানি করা হয়। এ বী
শখের বশে বাগান করেন হুমায়ূন আহম্মেদ। শখের সে বাগানে এখন ফলছে বারোমাসি আফ্রিকান আম, পাকিস্তানি ট্রাই লেবুসহ ১৮ জাতের ফল। মাত্র চার বছরেই আর্থিক স্বচ্ছলতার মুখ দেখতে শুরু করেছেন তিন
নবীগঞ্জের মাটি ও আবহাওয়া চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে বিদেশি ফল ড্রাগন চাষ। ইতোমধ্যে ড্রাগন চাষে সফল হয়েছেন মশিউর রহমান। বাজারে ফলের ভালো দাম ও চাহিদা থাকা
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সাগরপাড়ের বিস্তীর্ণ বালুচরে আগে কখনো ফসল ফলেনি। পতিত পড়ে থাকত। উপজেলার জাহাজমারা গ্রামের হাসি বেগমের পরিবারের চেষ্টায় সে বালুচরে এখন সবুজের সমারোহ
ফল২০২০ সালের ফাল্গুনে বরিশালের আগৈলঝাড়া ও গাজীপুরের শ্রীপুরে আম ও লিচু গাছে প্রচুর মুকুল এসেছিল। ঝড় ও শিলাবৃষ্টি না হলে ভালো ফলনের আশা করছিলেন চাষিরা।
ফলসারা বছর দেশি ফলের জোগান বাড়াতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন’ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী ২০২০ সালের ১০ মার্চ একনেকে অনুমোদন পায়। এতে ব্যয় ধরা হয় ১৬১ কোটি ৫ লাখ টাকা।
বাঙ্গি ও তরমুজ জাতীয় ফসল চাষাবাদের বড় অন্তরায় ফল পচনকারী রোগ। ফল পচনকারী রোগের জন্য একদিকে যেমন ফলন কমছে অন্যদিকে কৃষকও আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। আবার ফলের গুণগত মানও ভা