সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ধনবাড়ীতে জনপ্রিয় হচ্ছে কলার চাষ

একবার কলা চারা রোপণ করলে একটানা তিন বছর ভালোভাবে ফলন দিতে পারে। যা অন্য কোনো ফসলে সম্ভব হয় না

একবার কলা চারা রোপণ করলে একটানা তিন বছর ভালোভাবে ফলন দিতে পারে। যা অন্য কোনো ফসলে সম্ভব হয় না

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কলার চাষ। আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় কলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। কৃষকেরা জানান, ধান আবাদ করে লোকসান হওয়ায় তারা কলা চাষে দিকে ঝুঁকছেন। কলা চাষ করে এ উপজেলায় সাবলম্বী হয়েছেন অনেকেই।

উপজেলার একাধিক কলা চাষি জানান, কলা চাষ করে অন্যান্য ফসলের চেয়ে বেশি লাভবান হওয়া যায়। কলা চাষে প্রথম অবস্থায় সাথী ফসল হিসাবে মসলা জাতীয় ফসল, সকল ধরনের সবজি, ধানসহ অন্যন্যা ফসলও আবাদ করা যায়। কলা চারা গাছ লাগানোর অল্প দিনের মধ্যে বেড়ে উঠে এবং দ্রুত ফল পাওয়া যায়। বৈশাখ মাসে কলা চারা রোপণ করলে অগ্রহায়ণ মাস থেকে ফলন পাওয়া যায়।

যে সব জমিতে পানি জমে না সে সব জমিতে কলা চাষ ভালো হয়। এক বিঘা জমিতে কলা চাষের জন্য জাতভেদে আড়াইশ’ থেকে সাড়ে তিনশ’ কলা চারা রোপণ করা যায়। একটি কলা গাছ ২ থেকে আড়াই মণ পর্যন্ত কলা দিতে পারে। এক বিঘা জমিতে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হলেও তিন-চার গুণ টাকার কলা বিক্রি করা যায়। একবার কলা চারা রোপণ করলে একটানা তিন বছর ভালোভাবে ফলন দিতে পারে। যা অন্য কোনো ফসলে সম্ভব হয় না।

চাষিরা জানান, এই এলাকার কলা ভালোমানের হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা এসে সরাসরি চাষিদের কাছ থেকে কলা ক্রয় করে ঢাকা, সিলেট, চট্রগ্রাম, কুমিল্লা, বরিশালসহ দেশের বিভিন্নস্থানে নিয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাণাজ্যিক ভিত্তিতে চাঁপা, মহেরে সাগর, মানকিসহ বিভিন্ন জাতের কলা চাষ করেন টাঙ্গাইলের চাষিরা। এসব জাতের কলা গাছ রোপণের অল্প দিনেই ফল পাওয়া যায়।

উপজেলার কড়য়া গ্রামের কৃষক খলিলুর রহমান বলেন, এবার ৪ বিঘা জমিতে কলা চাষ করেছি। প্রতি বিঘায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সকল খরচ বাদে ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকার মত লাভ হবে। কলা বিক্রি করতে কোনো ঝামেলা হয় না। দেশের বিভিন্নস্থান থেকে কলা পাইকাররা এসে যেমন নিয়ে যায় তেমনই স্থানীয় বাজারে কলা বিক্রি করা যায়।

চাষি সুমির হোসেন ও লিটন মিয়া বলেন, আমাদের অঞ্চলে কলার ভালো ফলন হয়। কলা আবাদ করে এখানকার চাষিদের কোনো লোকসান না হওয়ায় দিনদিন আগ্রহ বেড়েই চলছে। এখানকার প্রতি ছড়ি কলা প্রকারভেদে সাগর কলা ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, সবজি কলা (আনাজ) ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাপা কলা ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি করা যায়।

ধনবাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, “উপজেলায় এবার ৭০ হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে। কলা চাষে লাভবান হওয়ায় কলা চাষি ও কৃষকরা কলা চাষের দিকে আগ্রহ বেড়েই চলছে। কলা চাষে তেমন কোনো ঝামেলা না থাকার কারণে স্থানীয়রা কলা চাষ করেছে। চাষের জন্য উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে কলা চাষিদের নানা ধরনের পরামর্শও প্রদান করছে। যাতে করে চাষিরা লাভবান হতে পারেন।”

ঢাকা ট্রিবিউনসূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

মতামত

আমদানি করা ফলের চড়া দামে পাত থেকে হারাচ্ছে পুষ্টি: ড. মতিউর রহমানের কলাম

গবেষক ও উন্নয়নকর্মী ড. মতিউর রহমান লিখেছেন, আমদানি করা ফল মধ্যবিত্তের কেনাকাটার তালিকা থেকে সরে যাচ্ছে; শুল্ক কাঠামো, বিনিময় হার আর পাইকারি-খুচরা দামের ব্যবধান মিলে পুষ্টিকর খাবার বিলাসপণ্য হয়ে উঠছে।

জাগো নিউজ ২৪১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

মধুপুরের ঝড়ে ক্ষতি প্রায় ১০০ কোটি টাকা, ৬০ গ্রামের ৭০০ কৃষকের কলা-পেঁপে মাটিতে

এ সপ্তাহের মাত্র ১০ মিনিটের আকস্মিক ঝড়ে টাঙ্গাইলের মধুপুরের চার ইউনিয়নে প্রায় ৭০০ কৃষকের কলা, পেঁপেসহ অন্যান্য ফসল নষ্ট হয়েছে; কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসাবে ক্ষতি প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

দৈনিক বাংলা৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

৪০ লাখ টাকার আনারস চিপস কারখানা বন্ধ, পথের ধারে পচছে ছোট আনারস

রাঙামাটির নানিয়ারচর হর্টিকালচার সেন্টারে ২০২১ সালে উদ্বোধন হওয়া ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতেই পারেনি; যন্ত্রপাতিতে ধুলা, ছাদ চুইয়ে পানি।

প্রথম আলো৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)