চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাছে পাকলেই বাজারজাত করা যাবে আম
আমের রাজধানীখ্যাত জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত দুবছরের মতো এবারও থাকছে না আম পাড়ার সময়সূচি। গাছে পাকলেই আম বাজারজাত করতে পারবেন চাষিরা।
আমের রাজধানীখ্যাত জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত দুবছরের মতো এবারও থাকছে না আম পাড়ার সময়সূচি। গাছে পাকলেই আম বাজারজাত করতে পারবেন চাষিরা।
রাজশাহীতে বৃহস্পতিবার (৪ মে) থেকে আম পাড়া শুরু হচ্ছে। এদিনই রাজশাহীর বাজারগুলোতে আমের দেখা মিলবে। শুরুতে গুটি পাওয়া যাবে।
লবণ দ্রবণ বা স্টাপিং পদ্ধতিতে খুব সহজেই কাঁচা আমকে ৮ থেকে ১০ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। যা থেকে পরবর্তীতে কাঁচা আমের বহুমুখী ব্যবহার হিসেবে রকমারী খাবার তৈরি করা যায়।
বাজারে এখন কাঁচা আম বেশ সহজলভ্য। তাই এখনই সেরা সময় আমের মোরব্বা তৈরি করে বছরব্যাপী সংরক্ষণ করার।
কয়েক বছর ধরে নওগাঁয় ব্যাপক হারে আম উৎপাদন হলেও জেলায় মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ছাড়া অন্য কোনো গবেষণা কেন্দ্র নেই। তাই জেলার আমের সম্ভাবনাকে এগিয়ে নিতে গবেষণা কেন্দ্র এবং প্রসেসিং হাউজ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ফলের রাজা আমের স্বাদ কারও পক্ষেই ভোলা সম্ভব নয়। আম খেতে ভালোবাসেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। স্বাদে ও পুষ্টিতে ভরপুর আম স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।
ভৌগোলিক নির্দেশক (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন বা জিআই) স্বীকৃতি পেতে পাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আম। জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রায় সব ধরনের তথ্য-উপাত্ত দিয়ে আবেদন করে আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এসব তথ্য এরই মধ্যে জার্নালে প্রকাশ করছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের ডিজাইন
মামুনূর রহমান হৃদয়
বাজারে এখন কাঁচা আম বেশ সহজলভ্য। গ্রিন ম্যাংগো বা কাঁচা আমের স্বাস্থ্য উপকাপরিতা অনেক। ভিটামিন সি'সহ বেশ কিছু ভিটামিন ও খনিজ আছে গ্রীষ্মকালীন এই ফলে।
রাজশাহীতে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে আম, ধান, ভুট্টাসহ ফসলের ক্ষতি হয়েছে। বুধবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে জেলার অন্তত চারটি উপজেলায় ঝড় ও শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। তবে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে সেটি এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।
কাঁচা আমের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। পাকা আম স্বাদে মিষ্টি হওয়ায় ডায়াবেটিসের রোগীসহ অনেকের ক্ষেত্রে খাওয়া নিষেধ। তবে কাঁচা আমের বিভিন্ন পুষ্টিগুণ দীর্ঘমেয়াদী ব্যাধি থেকেও মুক্তি দেয়।
চলছে আমের মৌসুম। এই মৌসুমে আম সংরক্ষণে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি খুবই উপকারী। ফ্রুট ব্যাগিং করা হলে আমে ছত্রাক ও পোকামাকড় আক্রমণ করতে পারে না। পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষায় কীটনাশকেরও প্রয়োজন হয় না। গুণগতমান ভালো থাকে এবং স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। চাষিরাও বাড়তি খরচ থেকে বেঁচে যান।
যশোরের শার্শার বাগআঁচড়ায় বারি-১১ জাতের আম চাষে অবিশ্বাস্য সাফল্য পেয়েছেন নূর ইসলাম সরদার। বারি-১১ জাতের 'বারোমাসি' আম চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি। অসময়ে বাজারে ওঠা এই আমের চাহিদাও ভালো। প্রতি কেজি আম বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা।