সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°ভারী বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৫ মিমি

লবণ দ্রবণ পদ্ধতিতে কাঁচা আম সংরক্ষণ করবেন যেভাবে

লবণ দ্রবণ বা স্টাপিং পদ্ধতিতে খুব সহজেই কাঁচা আমকে ৮ থেকে ১০ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। যা থেকে পরবর্তীতে কাঁচা আমের বহুমুখী ব্যবহার হিসেবে রকমারী খাবার তৈরি করা যায়।

ফল

লবণ দ্রবণ বা স্টাপিং পদ্ধতিতে খুব সহজেই কাঁচা আমকে ৮ থেকে ১০ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। যা থেকে পরবর্তীতে কাঁচা আমের বহুমুখী ব্যবহার হিসেবে রকমারী খাবার তৈরি করা যায়।

প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রত্যাদি বায়ুরোধ নিশ্চিতকারী ঢাকনাসহ প্লাস্টিক ড্রাম/কনটেইনার ব্যালেন্স, বটি/ ছুরি এবং সসপেন, বিশুদ্ধ পানি, লবণ প্ল্যাসিয়াল অ্যাসেটিক অ্যাসিড এবং পটাসিয়াম মেটাবাইসালফাইট (কেএমএস)।

সংরক্ষণকৃত আমের ব্যবহারসংরক্ষণকৃত আম সরাসরি খাওয়া যাবে। সবজি ও ডাল জাতীয় খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়। সহজেই আচার/ চাটনি জাতীয় খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা যায়। আমের পাল্প জুস তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।

স্টাপিং/লবণ দ্রবণে কাঁচা আম সংরক্ষণ পদ্ধতি১. পরিপুষ্ট (৬-১৬ সপ্তাহ) কাঁচা আম সংগ্রহ করে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিন।

২.ফলের আকার অনুযায়ী সম্পূর্ণ আম অথবা দুই বা চার টুকরো করে কেটে এ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা যায়।

৩. ফল গুলো রাঞ্চিং (৭০-৮০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপ মাত্রার গরম পানিতে ২-৩ মিনিট রাখা) করুন। অতপর পানিতে ১০ মিনিট ডুবিয়ে ঠান্ডা করে নিন।

৪. স্টাপিং দ্রবণ তৈরির জন্য ১০% লবণ, ১% গ্ল্যাসিয়াল অ্যাসেটিক অ্যাসিড এবং ০.১% পটাসিয়াম মেটাবাইসালফাইট ব্যবহার করুন। (১ কেজি দ্রবণ তৈরির জন্য ১০০ গ্রাম লবণ, ১০ মিলিলিটার অ্যাসেটিক অ্যাসিড, ১ গ্রাম পটাসিয়াম মেটাবাইসালফাইট এবং ৮৯০ মিলিলিটার পানি প্রয়োজন)।

৫. প্রথমে লবণের দ্রবণ তৈরী করে তা ৫ মিনিট ফুটিয়ে পাতলা কাপড় দিয়ে ছেঁকে নিন এবং পরে পরিমিত অ্যাসেটিক অ্যাসিড ও পটাসিয়াম মেটাবাইসালফাইট যোগ করুন।

৬. প্ল্যাস্টিক ড্রাম/কনটেইনারটি ভালভাবে পরিষ্কার করে ৮০-৯০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা গরম পানিতে ধুয়ে জীবাণু মুক্ত করুন।

৭. ফল/ ফলের টুকরো পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত ড্রাম বা কনটেইনারে রেখে স্টীপিং দ্রবণ যোগ করুণ। (প্রতি কেজি ফল/ স্লাইসের জন্য জন্য আনুমানিক ১.২৫ থেকে ১.৫ কেজি স্টীপিং দ্রবণের প্রয়োজন)

৮. দ্রবণ ও ফলে ভর্তি পাত্রের মুখে ঢাকনা ভালোভাবে লাগিয়ে সংযোগস্থলের ওপর দিয়ে আঠাযুক্ত টেপ ভালভাবে লাগিয়ে দিন যাতে পাত্রটি সম্পূর্ণরূপে বায়ুরোধী হয়।

৯.পাত্রগুলো পরিষ্কার জায়গায় অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা স্থানে রেখে দিন।

স্টাপিং/দ্রবণ থেকে সংরক্ষণকৃত আম বের করার পর করণীয়

১. ব্যবহারের পূর্বে স্টীপিং দ্রবণে সংরক্ষিত কাঁচা আম/আমের টুকরোগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার বিশুদ্ধ পানিতে ধুয়ে নিতে হবে।

২. প্রয়োজনীয় পরিমাণ আম বা আমের টুকরা সংরক্ষিত পর হতে বের করার পর পুনরায় পাত্রের মুখে ভালভাবে ঢাকনা লাগিয়ে দিতে হবে যাতে পাত্রটি সম্পূর্ণরূপে বায়ুরোধী হয়।

এনএইচ/এমআইএইচএস/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()