নেদারল্যান্ডসের টিউলিপ গাজীপুরে, চমক দেখালেন দেলোয়ার
তুরস্কের জাতীয় ফুলের নাম টিউলিপ। নেদারল্যান্ডসেও টিউলিপ ফুলের ব্যাপক আবাদ হয়। বর্তমানে নেদারল্যান্ডস টিউলিপ ফুল উৎপাদনকারী প্রধান দেশ। টিউলিপকে নিয়েই সেখানে গড়ে উঠেছে শিল্প। তা
তুরস্কের জাতীয় ফুলের নাম টিউলিপ। নেদারল্যান্ডসেও টিউলিপ ফুলের ব্যাপক আবাদ হয়। বর্তমানে নেদারল্যান্ডস টিউলিপ ফুল উৎপাদনকারী প্রধান দেশ। টিউলিপকে নিয়েই সেখানে গড়ে উঠেছে শিল্প। তা
হলুদ রঙের অসম্ভব সুন্দর এই ফুলটির নাম সোনাপাতি ফুল। কেউ কেউ একে চন্দ্রপ্রভা নামেও ডাকে। গ্রীষ্ম বা বর্ষায় ডালের আগায় বড় বড় থোকায় দেখা যায় হলুদ রঙের এই ফুল। বিস্তারিত জানাচ্ছে
ফুল২০২০ সালের শীতে চাঁদপুরের পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজের ক্যাম্পাস ভরে উঠেছিল ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, গোলাপ, জবাসহ কয়েকশ ফুলগাছে, যা গড়ে উঠেছিল অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদারের উদ্যোগে।
ফুল২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাগো নিউজ জানায়, বিদেশি ফুল হলেও জারবেরা দেশের প্রথম সারির ১০টি ফুলের একটি; প্রতিটি ফুলের দাম ৩০ থেকে ৫০ টাকা, আর একজন চাষি মাসে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন।
বর্ষাকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে ফোটে সুদৃশ্য কদম ফুল। রাজধানীর বিভিন্ন পার্কেও ফুটেছে এ ফুল। পুষ্পপ্রেমীদের কাছে কদম ফুল খুবই প্রিয়। রাজধানীর অনেক স্থানে কদম ফুল বিক্রি করে জীবিকা ন
ফুলদেশে বিশ্বমানের ব্যবস্থাপনায় পলিনেট হাউজে জারবেরা ফুল উৎপাদন শুরু হয়েছে। ময়মনসিংহের ভালুকায় এক বছরের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণ থেকে শুরু করে ফুলের বাজারজাত পর্যন্ত সম্ভব করেছে বেসরকারি একটি শিল্প গ্রুপ।
শীতকালীন মৌসুমী ফুলের মধ্যে চন্দ্রমল্লিকাও বেশ জনপ্রিয়। ক্রিসমাসের সময় ফোটে বলে একে ক্রিসেন্থিমামও বলা হয়। জাপান ও চীন এর আদি জন্মস্থান। এটি বিভিন্ন বর্ণ ও রঙের হয়ে থাকে। তাই এ
নেদারল্যান্ডের অনেক কৃষক পরিবারের রয়েছে কয়েকশ বছরের ফুল চাষ আর বাণিজ্যের ঐতিহ্য। তারাই বিশ্বব্যাপী ফুলের বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও নিয়ন্ত্রণ করছে। এমনই একটি কোম্পানি রয়্যাল ভান জানটেন।
গ্লাডিওলাস ফুলের চাষ একদিকে যেমন লাভজনক, অন্যদিকে তেমন নান্দনিক। বাজারে এ ফুলের চাহিদাও প্রচুর। বাড়ির আঙিনা, ছাদসহ যে কোনো ধরনের মাটিতে চাষ করতে পারেন এ ফুল। সে জন্য জেনে নিন নিয়
গত তিন দশকে বাণিজ্যিক ফুল চাষের এক অনন্য ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ঢাকার সাভার। উপজেলার শ্রামপুর, বনগাও এবং বিরুলিয়া ইউনিয়নের আবাদি ক্ষেত থেকে শুরু করে বাড়ির আঙিনা সবখানেই কৃষিপণ্য হিসেবে আবাদ হচ্ছে ফুল। বছর জুড়ে ফুলই এখানে প্রধান বাণিজ্যিক ফসল।
পূর্ব আফ্রিকার উগান্ডায় ষাট বছরের ঐতিহ্য নিয়ে সাফল্যের সঙ্গে চলছে বাণিজ্যিক কৃষি খামার মায়ারে এস্টেট। শতভাগ রপ্তানিমুখি গোলাপ আরসবজি ফসল উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে তারা অনুসরণ করছে আধুনিক ও টেকসই প্রযুক্তি।
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় বাণিজ্যিকভিত্তিতে শুরু হয়েছে সূর্যমুখীর আবাদ। আবাদ সম্প্রসারণে সেখানে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন গড়ে তুলেছে সূর্যমুখীসহ বিভিন্ন তেলবীজ ও ডালবীজ বর্ধন খামার। সূর্যমুখীর স্বাস্থ্যকর তেল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে দেশে প্রথমবারের মতো আধুনিক কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়ে
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে ফুলের চাষ। বছরের বড় একটি অংশ জুড়ে ফুল তুলে বাজারে পাঠানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন সবধরণের কৃষক। আর সেকারণে পাল্টে যাচ্ছে কৃষকের আর্থসামাজিক চিত্র।