সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭২%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

করোনায় মোটাতাজা হয়েছে জাতীয় চিড়িয়াখানার প্রাণীরা

দীর্ঘদিন দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ থাকায় মোটাতাজা হয়ে উঠেছে জাতীয় চিড়িয়াখানার প্রাণীরা। প্রতিদিন মানুষের হইচই ছাড়া নিজেদের মতো করে বেড়ে উঠছিল খাঁচায় বন্দি এসব পশুপাখি।

দীর্ঘদিন দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ থাকায় মোটাতাজা হয়ে উঠেছে জাতীয় চিড়িয়াখানার প্রাণীরা। প্রতিদিন মানুষের হইচই ছাড়া নিজেদের মতো করে বেড়ে উঠছিল খাঁচায় বন্দি এসব পশুপাখি।

রোববার (১ নভেম্বর) থেকে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে চিড়িয়াখানা। দীর্ঘদিন পর চিড়িয়াখানা উন্মুক্ত হওয়ায় সেখানে জনমানুষের ভিড় সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই নানাভাবে বিরক্ত করায় কোনো কোনো প্রাণী কিছুটা অস্বস্তির মধ্যে সময় পার করতে দেখা গেছে।

এর আগে করোনার কারণে দীর্ঘ সাড়ে ৭ মাস বন্ধ ছিল মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা। এ দিন দর্শনার্থীদের প্রবেশে কোনো ফি নেয়া হয়নি। শহরের মানুষেরা ঘরবন্দি জীবন ভাঙতে বিনোদনের আশায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চিড়িয়াখানায় বেড়াতে আসেন। শিশুদের আগমন ছিল তুলনামূলক বেশি।

রাজধানীবাসীরা অনেক দিন পর এসব প্রাণীকুল দেখে উৎসাহিত হয়ে পড়েন। শিশুরা যেন অনেক দিন পর আবারও প্রাণ খুলে দম ছাড়ার সুযোগ পেয়েছে।

জানা গেছে, দেশের সবচেয়ে বড় ১৮৬ একর জায়গায় বিস্তৃত মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা। ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে আসেন হাজারও দর্শনার্থী। চিড়িয়াখানায় রয়েছে মাংসাশী ৮ প্রজাতির ৪৫টি প্রাণী, ২১ প্রজাতির বৃহৎপ্রাণী (তৃণভোজী) ২৭১টি, ২১ প্রজাতির ক্ষুদ্র স্তন্যপায়ী ২১২টি।

এ ছাড়াও রয়েছে ১০ প্রজাতি সরীসৃপ ৭২টি, ৫৬ প্রজাতির ১১৬২টি পাখি, অ্যাকুরিয়ামে রক্ষিত মৎস্য প্রজাতিসমূহ ১৩৬ প্রজাতির ২৬২৭টি প্রাণী রয়েছে। সবমিলিয়ে রয়েছে ১৩৭টি পশু-পাখির খাঁচা। নতুন করে ১১৫টি বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর প্রজনন হয়েছে।

দেখা গেছে, দীর্ঘদিন দর্শনার্থী না আসায় চিড়িয়াখানার প্রাণীকুল নিজেদের মতো করে বাঁচার সুযোগ পেয়েছিল। বিরক্তহীন প্রাকৃতিক পরিবেশে নিজেদের মতো করে দিন পার করে। প্রাকৃতিক পরিবেশে দ্রুত বেড়ে উঠেছে। নিয়মিত পরিচর্যার কারণে অনেক পশুপাখি মোটাতাজা হয়ে উঠেছে।

এদিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভেতরে প্রবেশ, মাস্ক পরা, প্রাণীদের বিরক্ত না করা, জটলা না করতে কর্মচারীরা প্রতিনিয়ত মাইকিং করে ঘোষণা দিলেও ছোট-বড় অনেকে সে নির্দেশনা মানছেন না। মাস্ক ছাড়া ভেতরে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে অনেককেই। অনেকে খাঁচার নির্ধারিত সীমানা অতিক্রম করে প্রাণীদের কাছে গিয়ে নানাভাবে বিরক্ত করতে দেখা গেছে। এতে করে অনেক প্রাণীর মধ্যে বিরক্তিভাব দেখা গেছে। অনেককেই আবার খাঁচার মধ্যে দৌড়ঝাঁপ আর চিৎকার করতে দেখা গেছে।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রতি মাসের প্রথম রোববার দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ ফ্রি ঘোষণা করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী আজ (রোববার) টিকিটমূল্য ছাড়া আগত দর্শনার্থীরা প্রবেশের সুযোগ দেয়া হয়েছে। এ কারণে কিছুটা দর্শনার্থীর উপস্থিতি বেশি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।

চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. আব্দুল লতিফ জাগো নিউজকে বলেন, 'দীর্ঘদিন দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ থাকায় প্রাণীকুল নিজেদের মতো করে বেড়ে উঠেছে। গত সাড়ে সাত মাস চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ থাকায় ১১৫টি বিভিন্ন প্রাণীর প্রজনন হয়েছে। পুষ্টিকর খাবার ও নিয়মিত পরিচর্যার ফলে তারা মোটাতাজা হয়ে উঠেছে। নতুন করে চিড়িয়াখানা খুলে দেয়া হলেও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভেতরে প্রবেশসহ নানা ধরনের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। ভেতরে খাবারসহ দর্শনার্থীদের প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে আমারা নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি। মাস্ক ছাড়া কাউকে প্রবেশে টিকিট দেয়া হচ্ছে না, ভেতরে হাত ধোয়ার জন্য সাবান পানির ব্যবস্থা, সার্বক্ষণিক মাইকিং করে সর্তকতা, ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের প্রবেশের জন্য নিরুৎসাহিত করাসহ ভেতরে বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে তোলা হয়েছে। আমরা বারবার ঘোষণা দিলেও কেউ কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। অনেকে প্রাণীদের নানাভাবে বিরক্ত করার চেষ্টা করছেন। মাইকিং করে সতর্কতা করা হচ্ছে। নিরাপত্তাকর্মীরা মনিটরিং করছেন।' স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত ও প্রাণীদের ভালো রাখতে জনমানুষকে সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

এমএইচএম/এফআর/পিআর

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

দক্ষিণ এশিয়ার বড় বিপদ ব্ল্যাক কার্বন, উষ্ণায়নে কার্বন ডাই-অক্সাইডের শতগুণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে অধ্যাপক আবদুস সালাম জানান, শীতে ইন্দো-গাঙ্গেয় সমভূমির দূষিত বাতাসে পিএম ২.৫ প্রতি ঘনমিটারে ৫০০ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত ওঠে; দুই স্ট্রোক ইঞ্জিন বন্ধের পর ঢাকায় ব্ল্যাক কার্বন কমেছে।

প্রথম আলো১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

ঝরা পাতার লোকজ্ঞান আর আদিবাসীর অধিকার: ইয়েরেভান সম্মেলন থেকে পাভেল পার্থ

আর্মেনিয়ায় প্রাণবৈচিত্র্য সম্মেলনের ১৭তম আসরে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে প্রথম আলোয় পাভেল পার্থ লিখেছেন, ঝরা পাতাকে কেবল কার্বনের হিসাবে দেখলে প্রাণবৈচিত্র্য সনদের অঙ্গীকার পূরণ হবে না।

প্রথম আলো১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

অক্টোবরে দেশে বৃষ্টি স্বাভাবিকের চেয়ে ৬৮ শতাংশ কম

আবহাওয়া অধিদপ্তরের মাসিক প্রতিবেদনে, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবসহ দুটি লঘুচাপের মাসেও অক্টোবরে বৃষ্টি হয়েছে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম; গড় তাপমাত্রা ছিল ১.১ ডিগ্রি বেশি।

বাংলা নিউজ ২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)