আর্মেনিয়ার ইয়েরেভানে জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য সম্মেলন কপ১৭ কুনমিং-মন্ট্রিয়ল বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য কাঠামোর অগ্রগতি পর্যালোচনা শেষ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে অঙ্গীকার বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। পর্যালোচনায় ২০৩০ পর্যন্ত সময়ের মূল সমস্যা হিসেবে বাস্তবায়নের ফাঁককেই চিহ্নিত করা হয়েছে।
উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে এফএওর উপমহাপরিচালক গডফ্রে মাগওয়েনজি (Godfrey Magwenzi) বলেন, জীববৈচিত্র্য ছাড়া খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি নেই, আবার কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা না বদলালে জীববৈচিত্র্যেরও ভবিষ্যৎ নেই।
এফএও ৭৮টি সংশোধিত জাতীয় পরিকল্পনা ও প্রায় ১৩ হাজার কার্যক্রম বিশ্লেষণ করে দেখেছে, কাঠামোর ২৩টি লক্ষ্যের সবগুলোতেই কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা জড়িত। জাতীয় লক্ষ্যের ৬৩ শতাংশ ও বিশ্লেষণ করা কার্যক্রমের ৩৬ শতাংশ এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
২০২৫ সালে এফএও ৬৫টির বেশি দেশকে পরিকল্পনায় সহায়তা দিয়েছে। এফএও সমর্থিত কর্মসূচির মাধ্যমে ৯১টি দেশ গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটির ৬৪.৫ কোটি ডলারের বেশি অনুদান ও ৪৩৪ কোটি ডলারের সহ-অর্থায়ন পেয়েছে।
সম্মেলনে এফএও সমর্থিত দুটি উদ্যোগ চালু হয়েছে: ২৭ অক্টোবর জীববৈচিত্র্য পর্যবেক্ষণের প্রযুক্তি হাব, আর ২৮ অক্টোবর সংরক্ষিত এলাকার বাইরে যেখানে জীববৈচিত্র্য কার্যকরভাবে রক্ষা হচ্ছে, সেসব এলাকার জন্য অ্যাকশন হাব। এফএওর হিসাবে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পক্ষ গ্রামীণ ঐতিহ্য, কৃষি ও মৎস্য এলাকাকে এভাবে স্বীকৃতি দিতে চায়। পাহাড় ও মিঠাপানির বাস্তুতন্ত্র নিয়ে একটি প্ল্যাটফর্মও চালু হয়েছে।
এফএও আরও এনেছে জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু অঙ্গীকার মিলিয়ে দেখার একটি অনলাইন নীতি সহায়ক, ৯০টির বেশি প্রস্তাবিত কার্যক্রমসহ টার্গেট ১০ গাইড, এবং ২৯ অক্টোবর সমন্বিত ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনার হালনাগাদ নির্দেশিকা, যা ১৯৯৩ সালের পর প্রথম বড় হালনাগাদ।
ছবি: Serouj Ourishian / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: এফএও নিউজরুম





মন্তব্য
(০)